LatestsNews
# বিদেশি তরুণী স্বামীর খোঁজে বাংলাদেশে# রাজধানীর ৬০ স্থানে চলছে ক্যাসিনো, প্রতি রাতেই উড়ছে ১২০ কোটি টাকা# প্রাথমিকের ৬৫% শিক্ষার্থী বাংলাই পড়তে পারেনা! “কিছু বাচ্চা অক্ষরই চিনে না”# বিমানের অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে -বিএনপির আমলে বিমান ছিল মুড়ির টিন: প্রধানমন্ত্রী# উদ্বোধনের দিনই পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলবে : রেলমন্ত্রী# স্বর্ণজয়ী মো. রোমান সানাকে অভিনন্দন ও মিষ্টি মুখ করালেন প্রধানমন্ত্রী # সরকারি কর্মকর্তাদের বিমানে ভ্রমণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর# যেখানেই পরিবর্তন করার দরকার সেখানে পরিবর্তন করবো বোনাসের জন্য হচ্ছে নতুন আইন: অর্থমন্ত্রী# টি-টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে দুই ধাপ এগিয়ে আফগানিস্তান# ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ হিসাবে ফওজিয়া রেজওয়ানের যোগদানে বাধা নেই - হাইকোর্ট# ষড়যন্ত্র পরিষ্কার হয়েছে, আমরা ‘বলির পাঠা’: গোলাম রাব্বানী# চার দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের মূল্য কেজিতে ৩০ টাকা বেড়েছে# আমি চাঁদা দিয়েছি পারলে ও প্রমাণ করুক: জাবি ভিসি# বিনা খরচে জাপানে চাকুরির সুযোগ : যা করবেন# সৌদি থেকে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী; কারও খালি পা, কারও গায়ে কাজের পোশাক# লক্ষ্য স্থির করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আশা করি, সেটা অর্জন করতে পারব -প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা# নাগরিকত্বসহ ৩ দাবি না মানলে রাখাইনে ফিরবে না রোহিঙ্গারা# পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন আফ্রিদি!# আমিরাত থেকে বিশাল বিনিয়োগ আসছে বাংলাদেশে# ঈদের খরচ হিসেবে ‘ন্যায্য পাওনা’ চেয়েছিলাম: রাব্বানী
আজ বুধবার| ১৮ sep ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

পাটগ্রামে থামছে না বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন হুমকির মুখে পড়েছে ফসলি জমি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বসত বাড়ি।



আসাদুজ্জামান সাজু, লালমনিরহাট 

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধরলা নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ বোমা মেশিনের মাধ্যমে বালু ও পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ফসলি জমি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বসত বাড়ি। বালু ও পাথর উত্তোলনের কাজ প্রকাশ্যে চললেও স্থানীয় প্রশাসন তা দেখেও না দেখার ভান করে চলছে। ফলে রাজনৈতিক ছত্রছায়াতে চলছে পাথর উত্তোলনের জমজমাট ব্যবসা। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী বোমা মেশিন মালিকের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহন করে পাথর উত্তোলনের মৌখিক অনুমতি দিচ্ছে। 

সড়ে জমিন ঘুরে দেখা যায়, পাটগ্রাম উপজেলার জোংরা ইউনিয়নের ডাঙ্গিরপাড় বগুড়াপাড়া এলাকায় ১৮টি, অদুরের ঘাট এলাকায় ১৫টি ও পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের বেলতলী এলাকায় ১০ টিসহ ওই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অর্ধশতাধিক বোমা মেশিন দিয়ে প্রতি নিয়ত পাথর ও বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। 

জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে উচ্চ আদালত ‘বোমা মেশিন’ ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাটগ্রামে ধরলা নদীতে পাইপ বসিয়ে উচ্চক্ষমতাপূর্ণ ছয় সিলিন্ডারযুক্ত পাওয়ার পাম্প ব্যবহার করে এ যন্ত্র দিয়ে মাটির ১০০ থেকে ২০০ ফুট তলদেশ থেকে পাথর ও বালু উত্তোলন করছেন মেশিনের মালিকেরা।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই সব এলাকায় অর্ধ শতাধিক বোমা মেশিন দিয়ে গত ২ মাস ধরে চলছে পাথর ও বালু উত্তোলন। প্রশাসনের লোকজন অভিযানের আসার আগেই মেশিন মালিকরা অভিযানের খবর পেয়ে যায়। প্রশাসনের কতিপয় আসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী মেশিন মালিকদের অভিযানের আগাম খবর দিয়ে থাকে। ফলে মেশিন মালিকরা পাথর শ্রমিকদের সহায়তায় মুহুর্ত্বের মধ্যে মেশিন সরিয়ে ফেলে। তারপর দুই এক দিন পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকে। পরিবেশ শান্ত হলে আবারও শুরু হয় বালু ও পাথর উত্তোলন। অনেক সময় কৌশল পালটায় ‘বোমা মেশিন’-এর মালিকেরা। তাঁরা ‘রাতচোরা’ কৌশল নিয়ে থাকে। দিনে বন্ধ থাকলে রাতে ১০ টার পর ভাসমান স্থাপনা বসিয়ে শুরু হয় তাদের পাথর উত্তোলন। 

 

পাথর ব্যবসায়ী সেজে কথা হয় কয়েক জন মেশিন মালিক ও পাথর উত্তোলন শ্রমিকের সঙ্গে। তাঁরা জানান, দিনের চেয়ে রাতে নিরাপদ বেশি, তাই রাতে চলে বেশির ভাগ মেশিন। আর স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে একজন লাইনম্যান রয়েছে। প্রতি দিন সন্ধ্যা হলেই মেশিন প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দিতে হয় লাইনম্যানকে। প্রতি রাতের আদায়কৃত প্রায় ৬ লক্ষ টাকা হিস্যা অনুযায়ী চলে যায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্যাকেটে। এভাবেই অবৈধ বোমা মেশিনের জমজমাট ব্যবসার বৈধতা মিলছে। 

 

শ্রমিকদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, প্রশাসনের অভিযান এড়াতেই নদীতে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন দুটি কৌশলে চলে। একটি হলো অভিযান শুরু হলে মেশিন রক্ষার কৌশল। সেই জন্য ভাসমান মেশিন স্থাপনা তৈরী।  আরেকটি, বালুচরে মেশিন লুকিয়ে রাখার কৌশল। নদীর জলমগ্ন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় স্থাপনা তৈরি করে বসানো হয় একাধিক মেশিন। এতে শ্রমিকের সংখ্যা থাকে তিন-চারজন। ঘুরে ঘুরে মেশিন চলে। অভিযানের খবর পেলে ওই মেশিন পানিতে ফেলে রাখা হয়, তা না হলে নদীর পানির মধ্যবর্তী স্থানে বা উত্তোলিত বালুচরে (স্তুপ) লুকিয়ে রাখা হয়। পরে লোকবল সরিয়ে ফেলা হয়। মেশিনের সাইলেন্সার (শব্দ) পাইপ পানিতে ফেলে রাখা হয়। ফলে অভিযানের সময় মেশিনটি হাতের নাগালে না পাওয়ায় প্রশাসন তা ধ্বংস করতে পারে না। অভিযান শেষে মেশিনের মালিকেরা ফের পাথর ও বালু উত্তোলন শুরু করেন।

 

পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রতি নিয়ত বোমা মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। যারা চালাচ্ছে তাদের অধিকাংশ চলছিল নানা কৌশলে। যতই কৌশল করুক মেশিনের মালিক ও ব্যবসায়ীরা। আমরাও কৌশল পাল্টিয়ে এখন অভিযান চালিয়ে নদী থেকে সব মেশিন উচ্ছেদ করছি।

 

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল করিম সাংবাদিকদের জানান, ভোটের ব্যস্ততার কারনে কয়েক দিন অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। এখন থেকে নিয়মিত অভিযান চলছে। যে কোনো মুল্যই অবৈধ এ পাথর উত্তোলন বন্ধ করা হবে। 

 


1