LatestsNews
# পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম ,রাষ্ট্রদূত সামিনার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, ক্ষমতার উৎস কী?# ধর্ষণ মামলার বিচার ৬ মাসের মধ্যে শেষ করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।# নৌ-পথে বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান ট্রেডের নবযাত্রা# স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত রাজধানীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন পাঁচ জন।# ঢামেকে প্রথমবারের মতো অ্যালোজেনিক বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট# গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই : মির্জা ফখরুল # সব ধরনের সমুদ্র সম্পদ অর্থনীতিতে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা# ঝিনাইদহ থেকে চীনে রপ্তানি হচ্ছে গরুর ভুঁড়ি ও কুঁচে# হাতিয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত# খানজাহান আলী থানা নিসচা’র মতবিনিময় সভা# বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ॥ নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত গাইবান্ধায় ট্রেন চলাচল বন্ধ ॥# মৌলভীবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক ঘর পাকা করে দেওয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী# কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ব্রহ্মপূত্রের ভাঙনে রৌমারী-রাজিবপুর প্লাবিত# শিক্ষা সহায়ক স্বপ্নপূরন সংগঠনের উদ্যোগে দরিদ্র দুই শিক্ষার্থীকে সহায়তা প্রদান # শৈলকুপায় কৃকদের নিকট থেকে ধান কিনছেন ইউএনও# ঝিনাইদহ জেলা জুড়েই পোষ্ট অফিসের কর্মচারী কর্মকর্তাদের চলছে বেহালদশা# খুলনার শিরোমণি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল অচলাবস্থা রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তি# ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আমবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা নিহত ২# ভারতের গুজরাটে ১৮ বছরের নিচে মোবাইল নিষিদ্ধ# একই পাঞ্জাবির দামে হেরফেরের দায়ে আড়ংয়ে আবারও পাঞ্জাবি কাণ্ড, ফের জরিমানা
আজ শুক্রবার| ১৯ জুলাই ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে সক্ষম বোমায়’ ঠাসা ওয়াহেদ ম্যানশন



ভয়াবহ অগ্নিকা-ের পর গতকাল শুক্রবারও ওয়াহেদ ম্যানশনে চলে অভিযান। এ সময় বিভিন্ন ধরনের ভারী রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যাপক মজুদের সন্ধান পায় ফায়ার সার্ভিস। ভবনটির বেসমেন্ট থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গতকাল শত শত বস্তা, প্লাস্টিক ও টিনের ড্রামভর্তি রাসায়নিক বের করে আনেন। এদিকে চুড়িহাট্টা অগ্নিকা-ে গতকাল রাত পর্যন্ত ৬৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
 
গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৬ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন। আর পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া ১৮টি মরদেহ তাদের প্রিয়জনের হতে পারে, এমন সম্ভাবনা থেকে ৩০ স্বজন গতকাল সিআইডিকে তাদের ডিএনএ নমুনা দিয়েছেন। এ ছাড়া কোনোভাবেই চেনার উপায় নেই এমন ৩টি মরদেহের স্বজন-দাবিদার কেউ না থাকায় এগুলোর ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য সংগৃহীত হয়নি।
 
চুড়িহাট্টার মর্মান্তিক অগ্নিকা-ে দগ্ধ-আহত হয়েছেন আরো অর্ধশতাধিক মানুষ। তাদের মধ্যে ৯ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যাদের প্রত্যেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা। স্মরণকালের ভয়াবহ এ অগ্নিকা-ের জেরে গতকাল পর্যন্ত দুটি মামলা হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ ভবনগুলো বিল্ডিং কোড মেনে নির্মাণ করা হয়নি বলে জানা গেছে।
 
উপরন্তু আগুন লাগার পর ধসে পড়ার ঝুঁকি দেখা দেওয়ায় ভবনগুলো ব্যবহার না করার জন্য সেখানে নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকা-ে নিহতদের স্মরণে গতকাল দেশের সব মসজিদে জুমার নামাজের পর বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল একাধিক সংগঠন অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান, দায়ীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা ও শাস্তি নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য আবাসিক এলাকা থেকে রাসায়নিক ব্যবসা, কারখানা ও গুদাম সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে; নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বালনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয় এদিন।
 
গতকালের অভিযানে কোনো মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওয়াহেদ ম্যানশনে বিচ্ছিন্ন একটি পোড়া হাতের দেখা পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা এটি শিশুর হাত বলে ধারণা করছেন। চকবাজারে অগ্নিকা-ে হতাহতের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারানো আরাফাত ইসলাম সিয়ামের (১৯) চাচাত ভাই হাবীবুর রহমান রুবেল গতকাল শুক্রবার চকবাজার থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় ওয়াহেদ ম্যানশনের মালিক হাজী আব্দুল ওয়াহেদের দুই ছেলে শহীদ ও হাসানসহ অচেনা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে দ-বিধির ৩০৪ (ক), ৪৩৬, ৪২৭ ও ৩৪ ধারায়। জানা গেছে, মামলার পর গা ঢাকা দিয়েছেন শহীদ ও হাসান। এ ছাড়া এ অঞ্চলে যারা অনুমোদনবিহীন রাসায়নিকের ব্যবসা করে আসছিলেন, তাদেরও অনেকেই আপাতত নিজেদের ‘নিরাপদ দূরত্বে’ সরিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
 
এই মামলা ছাড়াও গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে একই থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে আরেকটি মামলা করা হয়েছে ‘অচেনা কয়েকজন’-এর বিরুদ্ধে অবহেলাজনিত অভিযোগ এনে। এতে বাদী হয়েছেন এসআই দেলোয়ার হোসেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ইব্রাহীম খান দুটি মামলার সত্যতা জানিয়ে গতকাল বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
প্রসঙ্গত ভয়াবহ এ অগ্নিকা-ে এ পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়। এদিকে উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেওয়া ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ওয়াহেদ ম্যানশনের বেসমেন্টে মজুদকৃত বস্তা ও ড্রামগুলোর রাসায়নিকের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার পর দেখা গেছে এগুলোয় আয়রন অক্সাইড, আয়রনিক ইয়েলো, ইঞ্জিনিয়ারিং কার্বন, অক্সাইড রেড বার ও এসিড গ্রিন রয়েছে। এসব অতিদাহ্য রাসায়নিকে আগুন লাগলে ওয়াহেদ ম্যানশন তো বটেই, আশপাশের বেশ কয়েকটি ভবনও বিস্ফোরণে উড়ে যেত; আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারত পুরো এলাকায়। এতে করে তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হতো হাজার হাজার মানুষ।
 
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তারা ভবনটির বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিতের কথা বলেছেন। নির্দিষ্ট সীমানার ভেতরে আপাতত কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) একেএম শাকিল নেওয়াজ গতকাল বলেন, ওয়াহেদ ম্যানশনের বেসমেন্টে বিপজ্জনক ও অরক্ষিত অবস্থায় অসংখ্য বস্তা ও ড্রামভর্তি পদার্থের মজুদ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে এগুলো দাহ্য ও বিপজ্জনক রাসায়নিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কোত্থেকে সেদিন আগুনের সূত্রপাত ঘটে, তা এখনো বলার সময় হয়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
 
তিনি জানান, বেসমেন্টে পাওয়া রাসায়নিকের মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি, খোঁজ করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াহেদ ম্যানশনের দ্বিতীয়তলায় পারফিউমের মজুদটি যার, বেসমেন্টের পণ্যও তারই মজুদ করা। বেসমেন্ট কীভাবে আগুন থেকে রক্ষা পেল? এমন প্রশ্নে শাকিল নেওয়াজ বলেন, আন্ডারগ্রাউন্ডের প্রবেশপথটি ভবনের পেছনদিকে। সেটি বন্ধ ছিল। তাই অক্সিজেন ভেতরে যেতে না পারায় আগুনও ছড়ায়নি। চারতলা ওয়াহেদ ম্যানশন এখন সিলগালা করে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। চলমান তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এর বেশি কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
 
এদিকে অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে গতকাল সকালে পরিদর্শনের পর শঙ্কা প্রকাশ করেছে বুয়েটের একটি প্রতিনিধি দল। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য লে. কর্নেল জুলফিকার রহমান গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি ভবনের মধ্যে তিনটি প্রাথমিকভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী বলে মনে হয়েছে।
 
ভবনগুলোয় অগ্নিকা- মোকাবিলায় প্রয়োজন হয় এমন ন্যূনতম ব্যবস্থাও রাখা হয়নি। ভবনগুলো যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে বলেও জানান তিনি। লে. কর্নেল জুলফিকার আরও বলেন, আবাসিক এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউনের অনুমতি নেই। সরকারের নির্দেশনার পর নতুন করে লাইসেন্সও দেওয়া হয়নি। যে কোনো মূল্যে সম্মিলিত উদ্যোগ ও চেষ্টায় এসব এলাকার কেমিক্যাল গোডাউন সরিয়ে নেওয়া হবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে জানান তিনি। একই তদন্ত কমিটির আরেক সদস্য বুয়েটের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, আমরা ভবনগুলো পরিদর্শন করেছি।
 
দেখেছি, ওয়াহেদ ম্যানশনের গ্রাউন্ড ফ্লোর ও দ্বিতীয়তলা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ঠিক কতটা, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাবে। ভবনগুলো বিল্ডিং কোড মেনে নির্মাণ করা হয়নি, উল্লেখ করে মেহেদী আহমেদ বলেন, ওয়াহেদ ম্যানশনের দ্বিতীয়তলার পুরোটাতেই গোডাউন ছিল। এটি বেশ বড় ভবন হওয়া সত্ত্বেও আগুন মোকাবিলার কোনো ইকুইপমেন্ট নেই, পর্যাপ্ত সিঁড়ি নেই! আগুনের সূত্রপাত হয়তো সিলিন্ডার বিস্ফোরণে, কিন্তু কেমিক্যালের কারণেই দ্রুত ছড়িয়েছে আগুন । তদন্ত চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ব্যবহারের উপযোগী কিনা তা হয়তো এক সপ্তাহ পর জানানো যাবে।
 
আমরা অধিকতর তদন্ত করে ভবনগুলোর সার্বিক অবস্থা জানাতে পারব। এদিকে চকবাজারে আগুনে পুড়ে নিহতদের স্মরণে জুমার নামাজের পর দেশজুড়ে বিশেষ প্রার্থনার কথা জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। গতকাল দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে অগ্নিকা-ে আহতদের দেখতে গিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবকিছুর সঙ্গে ধর্মীয় চিন্তা-চেতনা যুক্ত। আমরা যারা ধর্মে বিশ্বাস করি, আমরা জানি যেÑ এই মৃতদের আর ফিরে পাওয়া যাবে না। তাই পরকালে তাদের শান্তির জন্য দোয়া প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অগ্নিকা-ের ঘটনা সব ধর্মের লোকজনকেই নাড়া দিয়েছে।
 
মৃতদের জন্য আমরা সমবেদনা প্রকাশ করছি এবং আশ্বাস দিচ্ছে, সরকারের পক্ষ থেকে সব সহযোগিতা হবে। পুরান ঢাকার চকবাজারে চুড়িহাট্টায় ওয়াহেদ ভবনের অগ্নিকা-ের পেছনে কেমিক্যাল রাখা, মজুদ ও বিপণন করতে সরকারি সংস্থাগুলোর কোনো প্রকার অবহেলা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
 
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও তদন্ত কমিটির প্রধান (অগ্নি অনু বিভাগ) প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ভবনটির অগ্নিকা-ের ঘটনায় পেছনে সরকারি সংস্থার কার কী দায়িত্ব ছিল। কে কী অবহেলা করেছে, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখব আমরা। এর পাশাপাশি অগ্নিকা-ের কারণ খুঁজে বের করা হবে। এদিকে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকা-ে হতাহতদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ভাড়াটিয়া পরিষদ নামে একটি সংগঠন। সেই সঙ্গে আবাসিক এলাকা থেকে অবিলম্বে কেমিক্যাল গোডাউন সরানোর দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
 


1