LatestsNews
# মৌলভীবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক ঘর পাকা করে দেওয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী# কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ব্রহ্মপূত্রের ভাঙনে রৌমারী-রাজিবপুর প্লাবিত# শিক্ষা সহায়ক স্বপ্নপূরন সংগঠনের উদ্যোগে দরিদ্র দুই শিক্ষার্থীকে সহায়তা প্রদান # শৈলকুপায় কৃকদের নিকট থেকে ধান কিনছেন ইউএনও# ঝিনাইদহ জেলা জুড়েই পোষ্ট অফিসের কর্মচারী কর্মকর্তাদের চলছে বেহালদশা# খুলনার শিরোমণি বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল অচলাবস্থা রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তি# ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আমবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা নিহত ২# ভারতের গুজরাটে ১৮ বছরের নিচে মোবাইল নিষিদ্ধ# একই পাঞ্জাবির দামে হেরফেরের দায়ে আড়ংয়ে আবারও পাঞ্জাবি কাণ্ড, ফের জরিমানা# যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বাংলাদেশি অভিবাসন ইস্যুতে বহিষ্কার।# রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে গঠনমূলক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে চীন।# রোহিঙ্গা সংকটের জন্য মিয়ানমার সরকারই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার।# নরসিংদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ১৩ দিন লড়াই করে হার মানলেন দগ্ধ ফুলন# নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড # ঝিনাইদহে প্রভাবশালীরা ঘের ও পুকুর কেটে চলেছেন, অবৈধ পুকুর খননে কৃষকরা হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত# লোহাগড়ায় ৫’শ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারী আটক# বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহমুদুলকে যোগদানে দিনভর উত্তেজনা # শিরোমনি উত্তরপাড়ায় খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুঃ এলাকায় শোকের ছায়া# নোয়াখালীর চৌমুহনীতে আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবকের মৃত্যু# কুড়িগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ৬জন গ্রেপ্তার
আজ শুক্রবার| ১৯ জুলাই ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

নান্দনিক ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বুনো জীবজন্তুর সমাহারে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।



নান্দনিক ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক বুনো জীবজন্তুর সমাহারে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন ভিড় করছেন অগণিত দেশি-বিদেশি পর্যটক। তারা দর্শন করছেন হরেক রকম বন্য জন্তু আর পাখ-পাখালি- দুর্লভ গাছপালা।

কক্সবাজার জেলা সদর হতে উত্তরে চকরিয়া উপজেলায় পার্কটির অবস্থান। কক্সবাজার থেকে দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার। আর চকরিয়া সদর হতে দক্ষিণ পথে দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। এ পার্কের আয়তন ৯০০ হেক্টর। এখানে পর্যটকরা বুনো জীবজন্তুর অবাধ চলাফেরা উপভোগ করতে পারছেন।

পার্কে রয়েছে তথ্য শিক্ষা কেন্দ্র, প্রাকৃতিক ঐতিহাসিক জাদুঘর, পরিদর্শন টাওয়ার এবং বিশ্রামাগার। অনেকেই মনে করেন, কক্সবাজার বেড়াতে এলে এই সাফারি পার্ক ভ্রমণ না করলে প্রকৃত আনন্দ থেকেই বঞ্চিত হতে হয়। কারণ নগরায়ণের যুগে সবুজ শ্যামল গাছপালার ভিতর মুক্তভাবে বিচরণশীল প্রাণীর সমাহার দেখতে না পারাটা দুর্ভাগ্য ছাড়া কিছু নয়। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যানুযায়ী, পার্কটি ১৯৮০-৮১ সালে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চালু হয়েছিল। বর্তমানে এটিকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বুনো জীবজন্তুর নির্ভয় আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে বণ্যপ্রাণীদের প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রতিপালন করা হয়। সে কারণে দেশি-বিদেশি বন্য প্রাণীগুলো বংশবৃদ্ধি ও অবাধ বিচরণের সুযোগ পাচ্ছে।

আর পর্যটকরাও স্রেফ পায়ে হেঁটে বা যানবাহনে চড়ে দেখতে পারছেন। কর্তৃপক্ষ টিকিটের বিনিময়ে শিক্ষা, গবেষণা ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ করে দিয়েছে।  দেখা গেছে, নির্জন উঁচু-নিচু টিলা, প্রবহমান ছড়া, হ্রদ, প্রাকৃতিক বৃক্ষ, চিরসবুজ বনের সঙ্গে জানা-অজানা গাছ-গাছালি, ফল-ভেষজ উদ্ভিদ, লতা-পাতার ঘন আচ্ছাদনে গড়ে উঠেছে এই সাফারি পার্ক।

ভিতরে রয়েছে ছায়াঘেরা পথ, সবুজ বনানী, গাছের সারি, পাখির কিচিরমিচির আর বানরের বিচরণ। সব কিছু মিলিয়ে এক অসাধারণ পরিবেশ। প্রধান ফটকের বাম পাশে রয়েছে ডিসপ্লে ম্যাপ। অনায়াসে বাঘ-সিংহসহ অন্যান্য প্রাণী পর্যবেক্ষণ করার জন্য রয়েছে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। আছে পার্কের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা। যে কেউ চাইলেই বাসে করে ঘুরে ঘুরে পুরো পার্ক দেখতে পারছেন।

এই পার্কে বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে বাঘ, সিংহ, হাতি, ভালুক, গয়াল, কুমির, জলহস্তী, মায়া হরিণ, সাম্বা হরিণ, চিত্রা হরিণ, প্যারা হরিণ, মিঠা ও  নোনা পানির কুমিরসহ পাখ-পাখালির সমাহার। পথের ধারে উঁচু ওয়াচ টাওয়ারে উঠে যে কেউ দেখতে পারবেন পুরো পার্কের সীমানা পর্যন্ত। উপভোগ করতে পারবেন অপার সৌন্দর্য।

পার্কের চারদিকেই রয়েছে বেষ্টনী। ফলে বন্যপ্রাণীর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। আবার পার্কের ভিতরেও অভ্যন্তরীণ বেষ্টনী রয়েছে। এই বেষ্টনীর ভিতরেই বাঘ, সিংহ ও তৃণভোজী প্রাণীর বিচরণ। এরা পুরো প্রাকৃতিক পরিবেশে বসবাস করছে। পার্কজুড়েই রয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর ভাস্কর্য।

এ ছাড়া পার্ক দর্শনের জন্য মিনিবাসের ব্যবস্থা আছে। মাঝে মধ্যে এ ব্যবস্থা বিনা অজুহাতে বন্ধ থাকে। ভিতরে রয়েছে দর্শনীয় বাংলো। প্রবেশ মূল্য : ২০ টাকা প্রবেশ ফি গুনতে হবে দর্শনার্থীদের। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ টাকা ও বিদেশিদের জন্য ৫০ টাকা। রয়েছে ২০ টাকায় গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা।


1