LatestsNews
# রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে মিয়ানমারকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।# হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টির বিভক্তি আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে।# ডেঙ্গু মোকাবিলায় সতর্কতা ও সচেতনতা আরো বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা# ঈদের আগে পরে মোট ১৩ দিনে এবার সড়ক, নৌ ও রেল পথে ২৪৪টি দুর্ঘটনায় মোট ২৫৩ জন নিহত ও ৯০৮ জন আহত।# গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালের বেহাল অবস্থা # ভারতে নিহত মাইনুল ও তানিয়া মরদেহ দেশে আনা হয়েছে# যেভাবে চামড়ার দাম কমানো হয়েছে তা দূরভিসন্ধিমূলক:মসিউর রহমান রাঙ্গা।# বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দেশের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ।# চলনবিলে পর্যটকের ঢল# চলনবিলে পর্যটকের ঢল# সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন# সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন# পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বাংলাদেশের দুজন নাগরিক। # জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘ফ্রেন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বা ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেয়া হলো# ডেঙ্গু প্রতিরোধ-সচেতনতায় 'স্টপ ডেঙ্গু' অ্যাপ চালু # অবশেষে টাইগারদের নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার রাসেল ডোমিঙ্গাকে।# পশ্চিমবঙ্গে বজ্রপাতে ৬ বাংলাদেশিসহ আহত ২৪, নিহত ৭# রাজধানীর মিরপুরে চলন্তিকা মোড়ের বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে# বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আট শহরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বর্ষ উদযাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।# ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বাসের চাপায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৫ জনের
আজ রবিবার| ১৮ আগস্ট ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

মুন্সীগঞ্জে যাচ্ছে কেটে গৃহস্থতের দিন .আসছে কুরবানি ঈদের দিন.হারিয়ে যাচ্ছে মীরকাদিমের ঐতিহ্য ধবল গাভি.



রুবেল মাদবর মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে মীরকাদিমের গোয়াল যেন শূন্য হয়ে যাচ্ছে। গৃহস্থরা শঙ্কায় পড়েছেন গরু পালার ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারবেন কি-না।গৃহস্থরা জানান, চালকল হারিয়ে যাওয়া, দুধের দাম কমে যাওয়া, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, আবাদি জমি কমে যাওয়া এবং আগের মতো সাদা ধবল জাতের গাভি না পাওয়ায় বিলুপ্তির পথে মীরকাদিমের গাভি।সরেজমিনে জানা গেছে, এক সময় ভুটানের আবাল ও বুট্টি, ভারতের উড়িষ্যা ও জঙ্গলি এবং নেপালের নেপালি ধবল গরু মীরকাদিমে লালন-পালন করে ঈদে বিক্রি করা হতো। অক্লান্ত পরিশ্রমে সেগুলোকে মীরকাদিমের ধবল গাভি বানানো হতো। কিন্তু এসব জাতের গরু আর খুঁজে পাচ্ছেন না মীরকাদিমের খামারি-গৃহস্থরা। ফলে এখন বাপ-দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে শংকর জাতের গরু পালন করছেন তারা।পঞ্চসারের গৃহস্থ ইয়াকুব মুন্সি (৪৫)। এক সময় তার বাবা জালাল মুন্সির৫০টি গাভি ও বাছুর মিলিয়ে শতাধিক গরু ছিলো। অথচ বর্তমানে মাত্র ৭টি গাভি রয়েছে গোয়ালে। গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও ধবল জাতের গাভি না পাওয়ায় পালন কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে বলে জানান ইয়াকুব।গৃহস্থ-খামারিরা জানান, ৫০ কেজি চালের কুড়া ৮০০ টাকা, ৪০ কেজি খেসারি১ হাজার ৪০০ টাকা, প্রতি কেজি খুদ ৩০ টাকা, ৩৫ কেজি গমের ভূষি ১ হাজার৩০০ টাকা ও প্রতি কেজি ভূষি ২৬ টাকা দরে কিনতে হয় গৃহস্থদের। তবে আবাদি জমি থাকলে গরুকে কাঁচা ঘাস খাওয়ানো হয়। তখন কেনা গো-খাদ্যের ওপরে কিছুটা চাপ কমে। কিন্তু বর্তমানে আবাদি জমি হারিয়ে যাওয়ায় কেনা খাবারের ওপর নির্ভর করে গরু পালতে হয় তাদের।কেনা খাদ্যের ওপরে নির্ভর করে গাভি পালতে দৈনিক ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকার খাবার প্রয়োজন বলে জানান গৃহস্থরা। অথচ এসব গাভি থেকে দৈনিক দুধ পাওয়া যায় ৮ থেকে ১০ কেজি, যার বাজার মূল্য ৩২০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা। বর্তমানে ৪০ টাকা কেজি দরে দুধ বিক্রি হচ্ছে মীরকাদিমে। ওষুধ ওডাক্তার, মশার কয়েল, কৃষাণ ও ঘর রক্ষণা-বেক্ষণেও বাড়তি খরচ আছে।তারা জানান, প্রথম দিকে একটি গাভি ১০ কেজি করে দুধ দিলেও প্রতি মাসে দেড় থেকে দুই কেজি করে পর্যায়ক্রমে কমতে থাকে। এক সময় এটি দেড় থেকে দুই কেজিতে নেমে আসে। ওই সময়টা পার করতে হিমশিম খেতে হয় গৃহস্থদের। কারণ, দুই কেজি দুধ বিক্রি করে আয় হয় ৮০ টাকা। অথচ এসব গাভির তখন খাবার লাগে ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকার।মীরকাদিমের গৃহস্থ ইয়াকুব বলেন, ‘আমার বাবা-দাদারা যেভাবে গাভি পালন করেছেন, আমরা সেভাবে পেরে উঠছি না। আগের সাদা জাতের সেই ধবল গাভি কিনতে পাওয়া যায় না। সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো- দুধের চেয়ে গো-খাদ্যের দাম বেশি। আবাদি জমিও কমে যাওয়ায় কেনা খাদ্যের ওপর নির্ভর করে গরু পালতে হয়’।মীরকাদিম ঘুরে দেখা গেছে, নিজের পরিবার ও শরীরের চেয়েও গরুর বেশি যত্নকরেন গৃহস্থরা। গোয়ালের গরুকে সময় মতো খাবার দেন, নতুন গামছা দিয়ে গোসল করান। সব সময় চোখে চোখে রাখা হয় এসব গরুকে।কোরবানির ঈদে খামার ও গোয়ালের কতোটি গাভি বিক্রি করা হবে- সে পরিকল্পনা তিন মাস আগে থেকেই করে থাকেন গৃহস্থরা। যেসব গাভি দুধ কম দেয়, বাচ্চা দেওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং বয়স্ক- সেগুলোকে কোরবানিরহাটে ওঠানো হয়। এসব গরুকে দামড়ি ও বয়স্ক গরু নামে ডাকা হয় স্থানীয়ভাবে। ওই তিনমাসে এসব গরুর বাড়তি পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যসম্মত ভালো খাবার খাওয়ানো হয়।তবে গৃহস্থরা জানান, সাদা গাভি এখন পাওয়া যায় না। তাই বিভিন্ন রঙের গরু বানানো হয় কোরবানি উপলক্ষে।


1