LatestsNews
# ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আমবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা নিহত ২# ভারতের গুজরাটে ১৮ বছরের নিচে মোবাইল নিষিদ্ধ# একই পাঞ্জাবির দামে হেরফেরের দায়ে আড়ংয়ে আবারও পাঞ্জাবি কাণ্ড, ফের জরিমানা# যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বাংলাদেশি অভিবাসন ইস্যুতে বহিষ্কার।# রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে গঠনমূলক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে চীন।# রোহিঙ্গা সংকটের জন্য মিয়ানমার সরকারই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার।# নরসিংদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ১৩ দিন লড়াই করে হার মানলেন দগ্ধ ফুলন# নোয়াখালীতে ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড # ঝিনাইদহে প্রভাবশালীরা ঘের ও পুকুর কেটে চলেছেন, অবৈধ পুকুর খননে কৃষকরা হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত# লোহাগড়ায় ৫’শ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারী আটক# বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহমুদুলকে যোগদানে দিনভর উত্তেজনা # শিরোমনি উত্তরপাড়ায় খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুঃ এলাকায় শোকের ছায়া# নোয়াখালীর চৌমুহনীতে আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবকের মৃত্যু# কুড়িগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ৬জন গ্রেপ্তার# গাজীরহাট ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় # শিরোমণি স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত ৮দলীয় মিনি ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন# শৈলকুপায় অর্ধশত বছরেও আলোর মুখ দেখেনি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসা!# কালীগঞ্জে পিতা হত্যার দায়ে পুত্রের যাবজ্জীবন কারাদন্ড# ‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের কাজে মন্থর গতি’# রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ডিঙি নৌকা ডুবে নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বুধবার| ২৬ জুন ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

মুন্সীগঞ্জ সদরে একশত শজ্জা হাসপাতালের অবস্থা ডা. যখন দালাল. দালাল যখন চোর!



মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাক্তারদের দেখা যায় দালালদের ভূমিকা পালন করতে। অপরদিকে এখন হাসপাতালে ছিনতাইকারী আসতে হয়না। মহিলা দালালরাই চুরিতে পারদর্শী হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই হাসপাতাল থেকে চুরি হচ্ছে মোবাইল ও নদগ টাকা। মন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতাল যে আমাদেরসমাজে এক বিষাক্ত নরদমা, রোগীদের সাথে ডাক্তারের আচরণে মনে হয় এখানে কোন মানুষের চিকিৎসা হয় না। সরকারী হাসপাতাল যেনো ডাক্তারের এজেন্ট অফিস। হাসপাতালের টয়লেটে মনে হয় ডোম ঘরের চেয়েও নিকৃষ্ট। প্রতিটি বহিঃবিভাগ এক একটি ক্লিনিকের নামে বরাদ্ব করা এজেন্টদের নামে নিলামকৃত,কোম্পানির এম আরদের দেখা যায় ডাক্তারের মানিব্যাগ। হাসপাতাল ভিতরে রোগীর উচপচে পরা ভিড় দেখে বুঝার কোন উপায় নাই যে কোন রোগীও এখান থেকে ভালো কোন চিকিৎসা পাচ্ছেন। মঙ্গলবার হাসপাতালে ভিজিটে গেলে দেখা যায় রোগী ভিতরে যেতে না যেতেই প্রিসক্রিপসন হাতে বের হচ্ছে। সরোজমিনে গেলেদেখা যায়, বহিঃবিভাগের রোগীর লাইনে বলে দেয় এখানকার ডাক্তাদের রোগী কিভাবে দেখেন।ভোক্তভোগী সাবিনা বলেন, আমি একজন রোগী নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে যাই। পরীক্ষা রিপোর্ট দেখাতে গেলে ডাক্তারের রুমের সামনে দাঁড়াতে দাঁড়াতেই একটু পরে ব্যাগে দেখি রোগীর ও আমার মোবাইল নেই। দোতালায় একজন মহিলার ব্যাগ থেকে মোবাইল ও নগদ টাকা ব্যাগ কেটে নিয়ে গেছে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটে। এখানে দালাল ছাড়া অন্য কোন লোক এ সকল যায়গায় দাঁড়াতে দেখা যায় না। তবে দালাল ছাড়া কারা এখানে চুরি করে?কোন কোন ডাক্তার কোম্পানির ঔষধ নিজের গোডাউন থেকে এনে দেন, প্রিসক্রিপসনে লিখে দিলেই বেতনভূক্ত দালাল গিয়ে ঔষধ নিয়ে রোগীকে দিয়ে আসেন। ডা. বিদ্যুত হোসাইন সাহেব নিজে বেতন দিয়ে একজন তার নিজস্ব ঔষধ বিক্রির জন্য লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তার প্রিসক্রিমসন উদ্ধার করে দেখা যায় প্রতিটি প্রিসক্রিপসনে ৫ বছর হইতে ৬০ বছরে রোগীকে শাহাতারা, পিত্তিমাজন ও একটি সাবান লিখে দেন তার প্রিসক্রিপসনে। রোগী আওলাদ হোসেন জানান, কোন রোগীই তার এই ঔষধ নেয়া থেকে বাদ যেতে পারবে না মনে হয়, মুন্সীগঞ্জ হাসপাতালে এই ঔষধগুলো বাধ্যতামূলক নিতে হবে হুলিয়া জারি হয়েছে। আমাকে দিয়েছিল পরে দেখি একটি দাতের মাজন তাও আবার দুটি নিতে হবে, শাহতারা বলবর্ধক সিরাপ, গায়ে মাখা সাবান যার মূল্য সাড়ে ৪শত টাকা।আওলাদ হোসেন জানান, আমি এই ওষধগুলো দেখে পুনরায় ফেরত দিয়ে নগদ টাকা ফেরত নিয়ে আসি।একাধিক অভিযোগে জানা যায়, বলার কি আছে এমন কথা গুলো মনের দুঃখে বলেন সদর হাসপাতালে আসা রহিমা বেগম (৫৫)। তিনি বলেন আমি আসলাম ডাক্তারের কাছে মৌ-মাছির মতো চারদিকেই আমার কাগজ টানাটানি এক পর্যায়ে রশিদটি ছিরে যায়। মনে হয় আমি পানিতে পড়ে গেছি, দালাল নামের লোকেরা আমাকে পানি থেকে উঠাতে এসেছে।হাসপাতালে বহিঃবিভাগে আসা মোঃ জাকারিয়া বলেন আসলাম হাসপাতালের সেবা নিতে এখন দেখি হাসপাতালে কোন সেবা নাই, হাফ ডজনের মতো টেষ্ট করতে বাহিরে যেতে হবে ভদ্র লোকেরে হাত ধরে ডাঃ দেখিযে দিলেন ভদ্র লোকের হাত।১০১ নং রুমের কথা যেনো সবারই পরিচিত। যে কোন রোগী যায় টিকেট কাউন্টারে,তাহার কি হইছে সেই দিক খেয়াল করে না করে ১০১ নং রোমে যেতে বলেন কাউন্টার বসা ভদ্রলোক। এমন এক বিষয় এমন এক সময়ে ১০১ নং রুমের কথায় সবার কাছে তেমন ভালো না লাগলে ও যেতে বাধ্য রোগীরা। ডাঃ নাই রোগীর লাইন বড় এই কথা কারোর কাছেই বলা যাবে না। কারণ কিছুক্ষনের মধ্যেই বড় ডাঃ এসে পড়বে এবং ঠিকই আসেন ২০ মিনিটে ৩০জনের সেবা দিয়ে রুম পরিস্কার করেন আমাদের ১০১ নং রুমের ডাক্তার সাহেব। ঔষদের কথা বলার কিছুই নাই যেমন ডাঃ তেমন তার ঔষধ, এমন যদি চলতে থাকে আমাদের সরকারী হাসপাতালে। তবে কোন এই হাসপাতাল? এমন হাসপাতালের দরকার নাই বলে জানান, আমেনা খাতুন নামের-রোগীর সাথে আসা গার্ডিয়ান। কথাগুলো খুব দুঃখ করে বলছিলেন হাবিবা নামের রোগীর গার্ডিয়ান মোসাৎ আমেনা খাতুন। তিনি আরো বলেন আমার দেখা রোগীকে ঔষধ তো দিলেনই না বরং এক গাদা পরিক্ষা দিয়ে দিলেন এবং তারচেম্বারে পরিক্ষার রির্পোট নিয়ে দেখাতে বললেন।জরুরী বিভাগের কথা যেনো না বললেই মনে কোন তৃপ্তি পাওয়া যায় না। হাসপাতালের কলিজা হলো হাসপাতালের জরুরী বিভাগ। এখানে জরুরী চিকিৎসার নামে চলে মানুষকে বোকা বানানো। এমনও দেখা যায় কারো কোন কাটাছিড়া নিয়ে আসলে দশটি সিলির জন্য যে ঔষধ বা মেটারিয়াল দরকার হয় একটি সেলাই করার জন্যও একই পরিমাণ ঔষধ আনার জন্য লিখে দেয়া হয়। যার পুরোটাই বাহিরের ফার্মেসী থেকে নগদ টাকা দিয়ে কিনে আনতে হয়।এমনই এক রোগী সোলেমান গুরুতর কাটা নিয়ে আসেন হাসপাতালে। চিকিৎসা শেষে তিনি বলেন, হাসপাতাল হতে কোন টিটেনাজ ইনজেকসন দেয়া হয় না বললেই চলে। এমন অবস্থায় আমাদের মতো আসা রোগীদের করণীয় জরুরী বিভাগের কথা মেনে নেয়। তাই জরুরী বিভাগ যা বলে তাই আমাদের মতো রোগীদের বাধ্যতামূলকভাবে পালন করতে হয়। তিনি মনে করেন তা না হলে চিকিৎসা উল্টো হবে।রোগী আওলাদ (২৬) জানান, আমি হাসপাতাল কখনো আসি নাই, আর এখন এসে যা দেখতে পারলাম যে ১১০নং রুমের ডাক্তাররা হলো বড় কসাই। ব্লাড পরিক্ষা ডাক্তারের নিয়োজিত ল্যাবে কেনো করলাম না? এই নিয়ে খুবই রেগে গেলেন তিনি। ঔষধ দিয়েছেন হারবাল ডাক্তার, ডাক্তারের চেহারা মনে হয় তিনি এক জনঔষধ কোম্পানির লোক, তার মন মতো ঔষধ দেয়ার নিয়মে বলা যায়। একটি জেলার এতো বড় হাসপাতাল মানুষকে বোকা বানায়, কারো কিছুই বলার নাই বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন মনে হয় আমরা মগার দেশে বাস করি।রোগের ঔষধ দেয়ার পর বাড়তি একহাজার টাকার বোনাজী ঔষধ দেয়ার ফরে আমার মনের অবস্থা ও ডাক্তারের মুখের ভাষা এতো কর্কশ হয় আমার জানা ছিল না, আজদেখলাম। বোনাজী ডাক্তারে শক্তির উৎস কোথায়? তিনি বলেন, ডাক্তারের বাড়ীমুন্সীগঞ্জ সদরে। । হাসপাতাল এলাকায় প্রচুর কিছু বন্ধু রয়েছে ।১০১ নং রুমে কে বসেন? জানতে দেখা মিলে হাসপাতালের আর এম ও সাহেবকে। যিনি হাসপাতাল ডিউটি শেষে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে সেবা দেন। সকাল ১০টাথেকে দুপুর পর্যন্ত চলে হাসপাতালে রোগী দেখে পরীক্ষা ও ঔষধ লিখার কাজ।বিকাল হলে শুরু হয় তার সারা দিনের ক্লিনিকে পরীক্ষা করতে দেয়া রোগীর রিপোর্ট দেখার কাজ। আর রিপোর্ট দেখার ভিড় জমে, রিপোর্ট দেখতে ভিজিট নেয়া হয় ৫০০টাকা মাত্র, ভিজিট দিয়ে পরীক্ষার রিপোর্ট দেখিয়ে এসেছেন এমনঅনেক রোগী অভিযোগ করেছে।অনুসন্ধানকালে দেখা মিলে এমন শতশত রোগী, যাহারা প্রতিনিয়ত সরকারী হাসপাতালে এসে ডাক্তারের সামনে নিয়োজিত এজেন্টদের মাধ্যমে প্রতারিত হচ্ছেন। এমন এক সময় গিয়ে দেখা যায় ১০১ নং ও ১১০নং রোমে রোগীদের হুমড়ী খেয়ে দাড়ানো, ১০১ ডাঃ নাই রোগীদের লাইন, ১১০ নং রোমে ডাঃ আছেন তবে রোগীদের ক্রয়কৃত ঔষধ সঠিক নেওয় হলো কি না তাহা পরিক্ষার জন্য প্রদর্শনকরা, সব মিলিয়ে গোপাল ভারের রাজ্য সভার গল্প কাহিনী চলছে, ডাক্তারের দেয়া দন্ত মাজন ও শক্তি বর্ধক সিরাপ ও সাবান নেয়া হলো কি না তাহার তদারকিতে ব্যাস্ত ডাক্টার মহাশয়।মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালের ১১০ নং কক্ষের হরবালের ডা: বিদ্যুত হোসাইন জানান, আমাকে সরকার এই হাসপাতালে নিয়োগ দিয়েছেন এই ঔষধগুলো লেখার জন্যই। আর আমি এই ঔষধগুলো লিখলেই আমার ক্রেডিট।প্রতিবেদক তাকে ফোন করে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি রাগ হয়ে বলেন, আমার বাড়ি মুন্সীগঞ্জে। আমি যে কে আপনি জানেনই না। আপনি হাসপালের সুন্দর পরিবেশ সম্পর্কে কিছুই জানেন না। জানলে আমাকে এই প্রশ্ন করতেন না।এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা: সিদ্দিকুর রহমান জানান, তাদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে কিন্তু প্রমাণের অভাবে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতেপারছি না।হাসপাতালে যিনি স্লিপ লিখেন তিনি হাসপাতালের ১১০ ও ১০১ নং কক্ষেই পাঠিয়ে দেন সকল রোগীদের। ফলে প্রচন্ড ভীড় লেগে থাকে এই দুইটা কক্ষে। এমনকি সন্ত্রাসী মানিকের ভাই মুন্নাকেও ১১০ নং কক্ষের গেটে রাখা হয়েছেরোগীদের প্রবেশ মুখে। এ সকল সমস্যা কাটিয়ে মুন্সীগঞ্জের হাসপাতালটি একটি মানব সেবার হাসপাতালে পরিণত হউক এই কামনা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সকল রোগী ও ভোক্তভোগীরা।


1