LatestsNews
# শ্রীমঙ্গলে ৬ ডিসেম্বর মুক্ত দিবস বধ্যভ‚মি-৭১ প্রাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধের যাদুঘর করার দাবি # শার্শার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌছে গেছে নতুন বই# খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে চিকিৎসকদের অবাধ ও নিরপেক্ষ প্রতিবেদন দাখিল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিএনপি# মুজিববর্ষের (২০২০) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা আসবেন মোদি, প্রণব ও সোনিয়া# মহেশপুরের ঐতিহ্যবাহী ইছামতি নদী দখল করে মাছ চাষ # আজ যশোর মুক্ত দিবস# ইনজেকশন দেওয়ার পর প্রসূতির মৃত্যু, স্বজনদের অভিযোগ ভুল চিকিৎসা# প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছে চলতি মাসেই বসছে মেট্রোরেলের লাইন# সব জল্পনার অবসান সৃজিত-মিথিলার বিয়ে সন্ধ্যায়# ভুটানকে ১০ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ# সিদ্ধেশ্বরীতে হত্যার শিকার তরুণীর পরিচয় জানা গেছে মিলেছে ধর্ষণের পর হত্যার আলামত# গণধর্ষণের পর পশু চিকিৎসককে নির্মমভাবে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনই পুলিশের গুলিতে নিহত । # নোয়াখালী হাতিয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার-১# অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করে অবহেলিত ফাতেমা এখন স্বাবলম্বী# ঝিনাইদহে অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ # কালীগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৮ সদস্য আটক# প্রশিক্ষণ আমাদের জ্ঞান ও কাজের দক্ষতা বাড়ায় - উপসচিব মোহাম্মদ শওকত ওসমান# নোয়াখালীতে এলজি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত গ্রেফতার# নোয়াখালীতে প্রথমবারের মতো খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি# শ্বাসরুদ্ধকর ও সংকটময় সেই ১২ ঘণ্টা
আজ শনিবার| ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

মুন্সীগঞ্জে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে গরুর হাট



মো রুবেল মাদবর. মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :
আর মাত্র এক দিন বাকি। দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। ইব্রাহীম (আ:) আমল থেকে প্রিয় বস্তু কোরবানি প্রথা শুরু হয়েছে। এর পর থেকে মুসলমান সম্প্রদায়ের এ উৎসবের মূল অনুষঙ্গ পশু কোরবানি। আর তাই গরু-ছাগল, মহিষসহ কোরবানির সব পশুর আগমনে জমেছে মুন্সীগঞ্জ জেলার সব হাটে। কানায় কানায় পরিপূর্ণ, হাটগুলোতে পা ফেলার যেন জায়গা নেই।

গত বুধবার সকলা থেকেই জেলার বিভিন্ন হাটগুলোতে পুরোধমে জমে উঠেছে গরু বেচা- কেনা। দুপুরের পর জেলার অধিকাংশ হাটেই ক্রেতার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে বিক্রি নিয়ে খুব বেশি সন্তুষ্টির কথা শোনাতে পারলেন না বিক্রেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ক্রেতার সংখ্যা ও বিক্রি দুটোই বাড়বে বলে আশা করছেন ইজারাদার ও বেপারীরা।

তবে এবার দেশে ইন্ডিয়ান গরু আমদানি বেশি হওয়ায় দাম শেষ পর্যন্ত কমতির দিকে থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেক ক্রেতাই। অনেকে আবার বলছেন, গতবারের তুলনায় গরু ছাগলের দাম অনেক বেশি। ফলে বিক্রির পরিমাণ খুব বেশি বাড়ছে না। তাই শেষ পর্যন্ত কোরবানির পশুর দাম কমবে না বাড়বে তাই দেখার অপেক্ষায় জেলাবাসী।

এবার মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী-অস্থায়ী, বৈধ-অবৈধ এবং ছোট-বড় সব মিলিয়ে ৪২টি গরু-ছাগলের হাট বসেছে। এ বছর মুন্সীগঞ্জের কোরবানির হাটে ভারতীয় গরুর আধিপত্য কাটিয়ে দেশী গরুর স্থান পেয়েছে অনেকটাই। ছোট, মাঝারি, বড়সহ সব ধরনের দেশী গরু বাজারজুড়ে ছড়িয়ে আছে। তবে বিভিন্ন জেলার তুলনায় এবার মুন্সীগঞ্জে বিদেশী গরুর আমদানিও কম রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মুন্সীগঞ্জের হাটগুলোতে যে পরিমাণ গরু আসছে, তাতে সঙ্কট তো হবেই না বরং প্রত্যাশার তুলনায় এখনই গরু বেশি।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন পশু হাট ঘুরে দেখা গেছে, জেলার অধিকাংশ হাটেই গরু রাখার নির্দিষ্ট জায়গা পূরণ হয়ে গেছে। ফলে আশপাশের সড়ক ও খালি জায়গা দখল করছেন ব্যাপারী ও খামারীরা। কোরবানির পশুতে ভরে গেছে সব হাট। এসব গরু যশোহর, খুলনা, ফরিদপুর, শরিয়তপুর, মাদারীপুরসহ আশেপাশে জেলা থেকে এসেছে।


মুন্সীগঞ্জ পৌরসবার মুন্সীরহাট, সদর উপজেলায় পঞ্চসার বিসিক মাঠ, মিরকাদিম পৌরসবার রিকাবি বাজার, গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নতুন চাষী, ভাটেরচর, টঙ্গীবাড়ি উপজেলার টঙ্গীবাড়ি, আব্দুল্লাপুর, আলদি বাজার, সিরাজদিখান উপজেলায়, ইসাপুর, মালখা নগর, লৌহজং উপজেলার মাওয়া, খিদির পাড়া, শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল মান্ডা, বেলতলী জি জে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ অধিকাংশ হাট কোরবানির পশুতে কানায় কানায় পূর্ণ। কোন কোন হাট নির্দিষ্ট সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।

সদর উপজেলার মুক্তারপুর বিসিক এলাকার মূল হাট ছেড়ে ফার্নিসারের দোকানসহ বিসিক এলাকার আশপাশের ফুটপাতের পাশে গরু রাখা হয়েছে। বিসিক এলাকার পাম্পের মোড়ে হাটের প্রবেশমুখে গরু-ছাগল বিক্রি করতে দেখা গেছে। লৌহজং খেতেরপাড়া হাটের গরু চলে এসেচে খেতেরপাড়া মাঠ ছেরে ব্রিজিরে প্রবেশের মুখের সামনে।

গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার সরেজমিনে খেতেরপাড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, এ হাটে অস্ট্রেলিয়া, নেপাল, ভারত, ভুটান, পাকিস্তানীখ্যাত গরু ও মহিষ আনা হয়েছে। তবে এ হাটে দেশী জাতের গরুর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি রয়েছে। এছাড়াও মুন্সীগঞ্জের অধিকাংশ হাটে ছাগল দেখা জায়নি।

এ হাটের পরিচালনা কমিটি ইজারাদার আলহাজ¦ আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার থেকে পুরোদমে জমে উঠবে বেচা-কেনা। চলবে ঈদের আগের রাত অর্থাৎ শুক্রবার ভোর রাত পর্যন্ত। এই হাটে রয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক সেচ্ছাসেবী দল। রয়েছে পুরো হাটজুড়ে সিসি ক্যামেরায় আওয়তায়। এছাড়া হাটে জাল টাকার প্রতারণ থেকে গরু ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বাচাঁতে জালটাকা সনাক্ত করণ মেশিন রাখা হয়েছে। যাতে এই হাটে কেউ এসে প্রতারণার স্বীকার না হয়। ২৪ ঘন্টা পশু চিকিৎসা দিতে রয়েছে উপজেলা পশু মেডিকেল টিম। পশুর হাট রয়েছে তাবুর নিচে ঢাকা।

গরু বেপারিরা বলছেন, এবার ভারত থেকে এ জেলায় কোরবানির পশু আমদানি কম হওয়ায় দেশীয় গরু এসেছে অনেক। প্রতিটি হাটেই প্রচুর পরিমাণে কোরবানির পশু এসেছে। সে তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা কম বলে জানান তারা।

খেতের পাড়া হাটে ফরিদপুর থেকে ১২টি গরু নিয়ে এসেছেন মো. জালল বেপারী (৪০) ও তার সঙ্গী রিটন বেপারী (৩২)। তাদের আনা স্বাস্থ্যবান একটি গরুর দাম চাচ্ছেন দুই লাখ টাকা। কিন্তু ক্রেতা বলছেন এক লক্ষ পয়তাল্লিশ হাজার টাকা। এই নিয়ে কিছুটা বিরক্ত হচ্ছে গরুর জাঙ্খিত মূল্য না পাওয়ায়। 

আর অন্যদিকে বিক্রেতা বলছেন, দাম চাওয়া হচ্ছে অনেক বেশি। এ রকম দাম চাইলে ছোট গরু কিনতে হবে।

এ হাটে গরু বিক্রি করতে আসা কার্তিক মন্ডল(৩৫) জানান, এবার তিনি ৪১টি গরু নিয়ে এসেছেন। প্রতিটি গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। ইতোমধ্যে একটি গরু এক লাখ পচাশি হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। বাকিগুলো কম দামে বিক্রি করতে রাজি নয় কার্তিক মন্ডল ও তার সঙ্গীরা।

এ বছর গরুর দাম বেশি হওয়ায় একটি মাঝারি সাইজের গরু কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা।

পাভেল হাওলাদার (৪৬) নামের এক ক্রেতা জানান, কোন গরুর দাম ৭০ হাজার টাকা হলেও তা থেকে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বেশি চাইছেন বেপারীরা। মুক্তারপুর বিসিক হাটে ছাগল বিক্রিও হচ্ছে যথেষ্ট। ৬ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা দামের ছাগলের বিক্রি হচ্ছে বেশি।

এছাড়ও জেলার প্রতিটি হাটে রয়েছে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মধ্যে জানিয়েছেন, কোরবানির হাটে কোন প্রকার চাদাবাঁজি করা যাবে না। সমস্ত কোরবানির হাট জুড়ে রয়েছে পুলিমের টহল ব্যাবস্থা।


1