LatestsNews
# মৗলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে আতংকে জেলাবাসী# ভারতে পাচার ৫ বাংলাদেশীকে বেনাপোলে ফেরত # রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু সমাধানে সারা বিশ্বের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।# উল্লাপাড়ায় পরিশ্রম আর পরিচর্যায় সফল পটলচাষী ফকির জয়নাল# মাগুরা শ্রীপুরে সাংবাদিকে বৃদ্ধ বাবা সহ ৫ আওয়ামীলীগ নেতা কর্মির নামে মিথ্যা মামলা# বিএনপি-জামায়ত জোটের শাসন আর কোন দিন ফিরে আসবে না# মৌলভীবাজারে দীঘলগিজি স্কুলে একটি রাস্তার কারনে ঝড়ে পড়ছে শতাধিক কোমলমতি শিশু# ২০১৯-২০ সালের অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পরদিনই বেড়ে গেছে সোনার দাম।# ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি বাংলাদেশের# বিশ্বকাপের ১৯তম ম্যাচে উইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারালো ইংল্যান্ড।# অনির্বাচিত সরকারের বাজেট প্রণয়নের নৈতিক অধিকার নেই :মির্জা ফখরুল# চট্টগ্রামে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ পুলিশের এসআই আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব# সাভারে ভয়ংকর লুঙ্গিবাহিনীর ১৭ ডাকাত গ্রেফতার, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধর# ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নবিত্ত ও বিকাশমান মধ্যবিত্তের জন্য তেমন কোনো সুখবর নেই# রেমিটেন্সে প্রণোদনা প্রবাসীদের উৎসাহিত করবে# রাজধানীতে আজকালের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।# ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।# উপজেলা নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় বললেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম# গোবিন্দগঞ্জে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-১০# উল্লাপাড়ায় ৮২ কোটি টাকার প্রকল্প রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ কাজে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা
আজ রবিবার| ১৬ জুন ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকারের দূরদৃষ্টিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশ



এম.রফিকুল ইসলাম (চট্টগ্রাম) : বাংলাদেশের মানুষের জীবনে চাওয়া, পাওয়ার হিসাব যেমনি সামান্য তেমনী আবেগ নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটিও। তারঁ চেয়েও বড় সমস্যা এ দেশের মানুষ যখন কিছু পাওয়ার অনুকূল পরিবেশে পদায়ন করে তখন কোন না কোন বিপত্তির উদ্ভব ঘটে। আমাদের স্বাধীনতার পরে বৃহত্তম পাওনা পদ্মা সেতুর দৃশ্যমানতায় বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ যখন শ্রদ্ধাও সভ্যতার আসনে নিজের অবস্থানের সমীহ আদায় করে নিচ্ছেন, তখনই রোহিঙ্গা সমস্যা রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদেরকে অনেকটা বিপদজনক অবস্থানে পৌঁছে দিচ্ছিল। শরনার্থী জীবনের অভিজ্ঞতা আমাদের ও সুদুর অতীতের নয়, তাই মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশে সরকার বাধাঁ প্রদান না করে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক যতœশীল ভূমিকায় অবতীর্ন হয়। সুক্ষ কারসাজী ও সুদুর ষডযন্ত্রের অংশ হিসেবে মায়ানমার যত ধরনের অত্যাচার, হত্যা, ধর্ষণ জ্বালাও পোড়াও আছে ক্ষেত্র বিশেষ অকল্পনীয় পন্থা ও অবলম্বনের পাশাপাশি ভিডিও ধারন করে তা নেটে প্রচার করে চলেছে। যার মূল উদ্দেশ্য প্রধানত সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দেশ বাংলাদেশ কে তথা বাংলার মানুষকে অসহিষনু করে যুদ্ব পরিস্হিতি তৈরীর উস্কানী, তার উপর ইচ্ছাকৃত ভাবে আকাশঁ সীমা লংঘন করে বিভিন্ন ভাবে যুদ্বের আহবান জানাতেও কার্পণ্য করেনি। লোমহর্ষক ভিডিও প্রচারের চেয়েও জঘন্যতম কারন ছিলো আরাকান বাসী ভিডিও টি দেখে নিজের ও স্বজনদের জীবনের মায়ায় যেন তাড়াতাড়ি দেশান্তরি হন। প্রথমটা আশানুরুপ না হলেও শেষ গুলোতে সফলতার মূখ দেখেছে। আরাকান ও তার আশ পাশের ভিটে বাড়ীতে আজ হাহাকারঁ, মানুষ,ও প্রাণী শূন্য। পচাঁ লাশের গন্ধ। মায়ানমার সরকারের যতটা না খনিজ লোভে এহেন জঘন্য তার পরিচয় দিয়েছে, তার চেয়েও বেশী পা দিয়েছে বিশ্বমোড়ল দের কূটচালে। নিকট অতীতে ২০০০ সালের দিকে বার্মা সরকারের বেয়াদবি যে শিক্ষা বাংলাদেশ থেকে পেয়েছে তার একটা পাল্টা জবাব দেওয়ার ফন্দি ও কাজ করেছে। মায়ানমার জালে ঝানু রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে আটকাঁনো সম্বভ হয়নি। তার উপর বিশ্ব দরবারে রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাংলাদেশ সরকার এমন কাজে লাগিয়েছে যা কল্পনাতেও ছিলো না। অবস্থা আজ "ভাই আমি না ও এমন করতে বাধ্য করেছে" অযুহাত খুজারঁ পর্যায়ে হলেও শেষ চেষ্টা বাংলাদেশের অর্থনীতিক অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্ত করার সর্বশেষ ইচ্ছায় কমপক্ষে সিমিত আকারে হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা। এই উদেশ্য দেশের অভ্যন্তরিণ চরদের কাজে লাগানোর জন্য সর্বশেষ চেষ্টারত অবস্থায় হাতে মুলা পাওয়ার মত অবস্থা তৈরী হয় ফেনীতে। ফেনী ইন্সটিটিউট অব কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজির শিক্ষক পেয়ার আহম্মদ মজুমদারের মৃত্যু ঘটে। আর এ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্পীতি নষ্টের জন্য ওৎপেতে থাকা শ্রেনী এ সুযোগ কে উস্কানী দিতে বৌদ্ধ কর্তক মুসলিম শিক্ষক হত্যার উদেশ্য মূলক বিভ্রান্তি ছড়াতে উঠে পড়ে লাগে। ফেসবুকের বিভিন্ন ফ্যাক আইডি থেকে উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দিয়ে এ ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উস্কানী দেয়া আরাম্ভ করা ছাড়াও এক শ্রেনীর লোকজন মানববন্ধন, কখনো বিক্ষোভ মিছিল আবার কখনো গন জমায়েতের নামে ফেনীতে অরাজকতা তৈরীর নীল নকশাঁর বাস্তবায়ন এর কাছাকাছি চলে আসে। তখনই বিষয়টি নজরে আসে ফেনীর পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকারের। এদের প্রতিহত করতে তিনিও তার সদস্যরা শুরু করেন ভিন্ন খেলা। বর্নিত ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, লোকদেখানো কর্মসূচির আড়ালে এ শ্রেনীর উদেশ্য ছিলো হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে তাদের টার্গেট কৃত অমুসলিম দের উপর হামলা করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজী করা। ফেনীতে এই জাতিগত দাঙ্গার জন্য চট্রগ্রাম সহ পাশাপাশি জেলা হতেও তাদের লোকজনকে এখানে নিয়ে আসার প্রস্তুতি ছিলো। তাই পুলিশ ও মোবাইল টেকিং, আইড়ি বন্ধ ও দুস্কৃতি কারীদের ধরার জন্য দিনরাত মোবাইল টহল, সন্দেহজনক স্থানে চৌকি অবস্থান ও এদের স্থানীয় নেতৃত্ব আটক, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা তৈরী সহ মারদাঙ্গা ভূমিকা গ্রহন করে। সমগ্র জেলাকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি ভাগে এক একজন কর্মকর্তার অধীনে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়ীত্ব ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তার প্রাচীর তৈরী করে নেয়। ফলে ছাগলনাইয়ার সীমান্তে মাটিয়া গোদা বা সোনাগাজীসহ কয়েকটি স্থানে জড় হওয়ারা যেমনি পালাতে হয়েছে, তেমনি ভাবে তাদের স্থানীয় আশ্রয় দাতাদের অনেকেসহ গেম মেকারদের অনেকেই গ্রেফতার হন আবার অনেকে গ্রেফতার এড়াতে ফেনী ছাড়তে বাধ্য হন। আর এই নিরাপত্তা বেষ্টনী ও নির্ঘুম অবস্থান চলে শনিবার ভোরহতে শুক্রবার বাদ জুমা পর্যন্ত। এ সময়ে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার সহ এডিশন্যাল এসপি, সার্কেল এসপি সহ বিভিন্ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চদ্মবেশে মোটরবাইকে ফেনীর চিহ্নিত স্থান গুলোতে নজরদারি সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতি ছিলো কঠোরদৃষ্টিপাত, তেমনী ভাবে মসজিদ সহ সকল ধর্মাবলম্বী দের ধর্মীয় স্হানের প্রতিও রাখেন যতœশীল দৃষ্টি। এ ব্যপারে জানতে চাওয়া হলে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান, দুস্কৃতিকারীদের দ্বারায় পরিচালিত ফ্যাক আইড়ি হতে এহেন বিভ্রান্তি ও উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার, বা সাবোটাজ তৈরীর উদ্দ্যেশে বর্তমানে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ব করা। দেশের অভ্যন্তুরে বিদ্যমান জাতীয সম্প্রীতি নষ্ট, জাতীর কাংখিত পদ্মাসেতুর অর্জনকে কে ধূলিস্যাৎ সহ জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার হীন প্রচেষ্টা সহ বাংলাদেশের অর্থনীতির সাকোঁটা ভেঙ্গে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন। যদি তারা ফেনীতে শুধু রাস্তায় দাড়াতেও পারতো এখানে সম্পূর্ণ ভাবে তাদের নীলনকশাঁ বাস্তবায়না করা সম্ভব না হলেও দেশের বিভিন্ন স্হানের তাদের দোসরদের উৎসাহ দিয়ে দেশের যে কোন স্থানে লাশ ফেলার। যার ফলশ্রুতিতে জাতিগত দাঙ্গার পরিবেশ তৈরী করে দেশ ও সরকারকে বিপদে ফেলা। তিনি আরো বলেন, আমরা বিষয়টির প্রতি এখনো অধিকতর গুরুত্বদিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার আরো বলেন, এহেন সংকটময় সময়ে দেশের সকল নাগরিককে ধৈর্য, সাহসীকতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। ফেনীতে যুদ্বদেহী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রন ও দুস্কৃতিকারীদের চক্রান্ত ধুলিসাৎ করে দেওয়ার কৃর্তিত্বকে একা নিজের অস্বীকার করে তিনি বলেন, ফেনীর সচেতন নাগরিক, যুবসম্প্রদায়, সাংবাদিক, ফেনীর রাজনিতিক বর্গ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশের সকল সদস্যের সফলতা বলে উল্লেখ করে বলেন, শহর কিংবা গ্রামে সন্দেহজনক উপস্থিতি ও পরিস্থিতি সাথে সাথে পুলিশ কে জানানোর জন্য ও সবার প্রতি তিনি আহবান জানান। সূত্র: ফেনীর সমসায়ীক । পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকারের দূরদৃষ্টিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশ এম.রফিকুল ইসলাম (চট্টগ্রাম) : বাংলাদেশের মানুষের জীবনে চাওয়া, পাওয়ার হিসাব যেমনি সামান্য তেমনী আবেগ নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটিও। তারঁ চেয়েও বড় সমস্যা এ দেশের মানুষ যখন কিছু পাওয়ার অনুকূল পরিবেশে পদায়ন করে তখন কোন না কোন বিপত্তির উদ্ভব ঘটে। আমাদের স্বাধীনতার পরে বৃহত্তম পাওনা পদ্মা সেতুর দৃশ্যমানতায় বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ যখন শ্রদ্ধাও সভ্যতার আসনে নিজের অবস্থানের সমীহ আদায় করে নিচ্ছেন, তখনই রোহিঙ্গা সমস্যা রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদেরকে অনেকটা বিপদজনক অবস্থানে পৌঁছে দিচ্ছিল। শরনার্থী জীবনের অভিজ্ঞতা আমাদের ও সুদুর অতীতের নয়, তাই মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশে সরকার বাধাঁ প্রদান না করে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক যতœশীল ভূমিকায় অবতীর্ন হয়। সুক্ষ কারসাজী ও সুদুর ষডযন্ত্রের অংশ হিসেবে মায়ানমার যত ধরনের অত্যাচার, হত্যা, ধর্ষণ জ্বালাও পোড়াও আছে ক্ষেত্র বিশেষ অকল্পনীয় পন্থা ও অবলম্বনের পাশাপাশি ভিডিও ধারন করে তা নেটে প্রচার করে চলেছে। যার মূল উদ্দেশ্য প্রধানত সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দেশ বাংলাদেশ কে তথা বাংলার মানুষকে অসহিষনু করে যুদ্ব পরিস্হিতি তৈরীর উস্কানী, তার উপর ইচ্ছাকৃত ভাবে আকাশঁ সীমা লংঘন করে বিভিন্ন ভাবে যুদ্বের আহবান জানাতেও কার্পণ্য করেনি। লোমহর্ষক ভিডিও প্রচারের চেয়েও জঘন্যতম কারন ছিলো আরাকান বাসী ভিডিও টি দেখে নিজের ও স্বজনদের জীবনের মায়ায় যেন তাড়াতাড়ি দেশান্তরি হন। প্রথমটা আশানুরুপ না হলেও শেষ গুলোতে সফলতার মূখ দেখেছে। আরাকান ও তার আশ পাশের ভিটে বাড়ীতে আজ হাহাকারঁ, মানুষ,ও প্রাণী শূন্য। পচাঁ লাশের গন্ধ। মায়ানমার সরকারের যতটা না খনিজ লোভে এহেন জঘন্য তার পরিচয় দিয়েছে, তার চেয়েও বেশী পা দিয়েছে বিশ্বমোড়ল দের কূটচালে। নিকট অতীতে ২০০০ সালের দিকে বার্মা সরকারের বেয়াদবি যে শিক্ষা বাংলাদেশ থেকে পেয়েছে তার একটা পাল্টা জবাব দেওয়ার ফন্দি ও কাজ করেছে। মায়ানমার জালে ঝানু রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে আটকাঁনো সম্বভ হয়নি। তার উপর বিশ্ব দরবারে রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাংলাদেশ সরকার এমন কাজে লাগিয়েছে যা কল্পনাতেও ছিলো না। অবস্থা আজ "ভাই আমি না ও এমন করতে বাধ্য করেছে" অযুহাত খুজারঁ পর্যায়ে হলেও শেষ চেষ্টা বাংলাদেশের অর্থনীতিক অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্ত করার সর্বশেষ ইচ্ছায় কমপক্ষে সিমিত আকারে হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা। এই উদেশ্য দেশের অভ্যন্তরিণ চরদের কাজে লাগানোর জন্য সর্বশেষ চেষ্টারত অবস্থায় হাতে মুলা পাওয়ার মত অবস্থা তৈরী হয় ফেনীতে। ফেনী ইন্সটিটিউট অব কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজির শিক্ষক পেয়ার আহম্মদ মজুমদারের মৃত্যু ঘটে। আর এ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্পীতি নষ্টের জন্য ওৎপেতে থাকা শ্রেনী এ সুযোগ কে উস্কানী দিতে বৌদ্ধ কর্তক মুসলিম শিক্ষক হত্যার উদেশ্য মূলক বিভ্রান্তি ছড়াতে উঠে পড়ে লাগে। ফেসবুকের বিভিন্ন ফ্যাক আইডি থেকে উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দিয়ে এ ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উস্কানী দেয়া আরাম্ভ করা ছাড়াও এক শ্রেনীর লোকজন মানববন্ধন, কখনো বিক্ষোভ মিছিল আবার কখনো গন জমায়েতের নামে ফেনীতে অরাজকতা তৈরীর নীল নকশাঁর বাস্তবায়ন এর কাছাকাছি চলে আসে। তখনই বিষয়টি নজরে আসে ফেনীর পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকারের। এদের প্রতিহত করতে তিনিও তার সদস্যরা শুরু করেন ভিন্ন খেলা। বর্নিত ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, লোকদেখানো কর্মসূচির আড়ালে এ শ্রেনীর উদেশ্য ছিলো হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে তাদের টার্গেট কৃত অমুসলিম দের উপর হামলা করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজী করা। ফেনীতে এই জাতিগত দাঙ্গার জন্য চট্রগ্রাম সহ পাশাপাশি জেলা হতেও তাদের লোকজনকে এখানে নিয়ে আসার প্রস্তুতি ছিলো। তাই পুলিশ ও মোবাইল টেকিং, আইড়ি বন্ধ ও দুস্কৃতি কারীদের ধরার জন্য দিনরাত মোবাইল টহল, সন্দেহজনক স্থানে চৌকি অবস্থান ও এদের স্থানীয় নেতৃত্ব আটক, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা তৈরী সহ মারদাঙ্গা ভূমিকা গ্রহন করে। সমগ্র জেলাকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি ভাগে এক একজন কর্মকর্তার অধীনে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়ীত্ব ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তার প্রাচীর তৈরী করে নেয়। ফলে ছাগলনাইয়ার সীমান্তে মাটিয়া গোদা বা সোনাগাজীসহ কয়েকটি স্থানে জড় হওয়ারা যেমনি পালাতে হয়েছে, তেমনি ভাবে তাদের স্থানীয় আশ্রয় দাতাদের অনেকেসহ গেম মেকারদের অনেকেই গ্রেফতার হন আবার অনেকে গ্রেফতার এড়াতে ফেনী ছাড়তে বাধ্য হন। আর এই নিরাপত্তা বেষ্টনী ও নির্ঘুম অবস্থান চলে শনিবার ভোরহতে শুক্রবার বাদ জুমা পর্যন্ত। এ সময়ে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার সহ এডিশন্যাল এসপি, সার্কেল এসপি সহ বিভিন্ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চদ্মবেশে মোটরবাইকে ফেনীর চিহ্নিত স্থান গুলোতে নজরদারি সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতি ছিলো কঠোরদৃষ্টিপাত, তেমনী ভাবে মসজিদ সহ সকল ধর্মাবলম্বী দের ধর্মীয় স্হানের প্রতিও রাখেন যতœশীল দৃষ্টি। এ ব্যপারে জানতে চাওয়া হলে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান, দুস্কৃতিকারীদের দ্বারায় পরিচালিত ফ্যাক আইড়ি হতে এহেন বিভ্রান্তি ও উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার, বা সাবোটাজ তৈরীর উদ্দ্যেশে বর্তমানে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ব করা। দেশের অভ্যন্তুরে বিদ্যমান জাতীয সম্প্রীতি নষ্ট, জাতীর কাংখিত পদ্মাসেতুর অর্জনকে কে ধূলিস্যাৎ সহ জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার হীন প্রচেষ্টা সহ বাংলাদেশের অর্থনীতির সাকোঁটা ভেঙ্গে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন। যদি তারা ফেনীতে শুধু রাস্তায় দাড়াতেও পারতো এখানে সম্পূর্ণ ভাবে তাদের নীলনকশাঁ বাস্তবায়না করা সম্ভব না হলেও দেশের বিভিন্ন স্হানের তাদের দোসরদের উৎসাহ দিয়ে দেশের যে কোন স্থানে লাশ ফেলার। যার ফলশ্রুতিতে জাতিগত দাঙ্গার পরিবেশ তৈরী করে দেশ ও সরকারকে বিপদে ফেলা। তিনি আরো বলেন, আমরা বিষয়টির প্রতি এখনো অধিকতর গুরুত্বদিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার আরো বলেন, এহেন সংকটময় সময়ে দেশের সকল নাগরিককে ধৈর্য, সাহসীকতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। ফেনীতে যুদ্বদেহী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রন ও দুস্কৃতিকারীদের চক্রান্ত ধুলিসাৎ করে দেওয়ার কৃর্তিত্বকে একা নিজের অস্বীকার করে তিনি বলেন, ফেনীর সচেতন নাগরিক, যুবসম্প্রদায়, সাংবাদিক, ফেনীর রাজনিতিক বর্গ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশের সকল সদস্যের সফলতা বলে উল্লেখ করে বলেন, শহর কিংবা গ্রামে সন্দেহজনক উপস্থিতি ও পরিস্থিতি সাথে সাথে পুলিশ কে জানানোর জন্য ও সবার প্রতি তিনি আহবান জানান। সূত্র: ফেনীর সমসায়ীক । পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকারের দূরদৃষ্টিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশ এম.রফিকুল ইসলাম (চট্টগ্রাম) : বাংলাদেশের মানুষের জীবনে চাওয়া, পাওয়ার হিসাব যেমনি সামান্য তেমনী আবেগ নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটিও। তারঁ চেয়েও বড় সমস্যা এ দেশের মানুষ যখন কিছু পাওয়ার অনুকূল পরিবেশে পদায়ন করে তখন কোন না কোন বিপত্তির উদ্ভব ঘটে। আমাদের স্বাধীনতার পরে বৃহত্তম পাওনা পদ্মা সেতুর দৃশ্যমানতায় বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ যখন শ্রদ্ধাও সভ্যতার আসনে নিজের অবস্থানের সমীহ আদায় করে নিচ্ছেন, তখনই রোহিঙ্গা সমস্যা রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদেরকে অনেকটা বিপদজনক অবস্থানে পৌঁছে দিচ্ছিল। শরনার্থী জীবনের অভিজ্ঞতা আমাদের ও সুদুর অতীতের নয়, তাই মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশে সরকার বাধাঁ প্রদান না করে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক যতœশীল ভূমিকায় অবতীর্ন হয়। সুক্ষ কারসাজী ও সুদুর ষডযন্ত্রের অংশ হিসেবে মায়ানমার যত ধরনের অত্যাচার, হত্যা, ধর্ষণ জ্বালাও পোড়াও আছে ক্ষেত্র বিশেষ অকল্পনীয় পন্থা ও অবলম্বনের পাশাপাশি ভিডিও ধারন করে তা নেটে প্রচার করে চলেছে। যার মূল উদ্দেশ্য প্রধানত সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দেশ বাংলাদেশ কে তথা বাংলার মানুষকে অসহিষনু করে যুদ্ব পরিস্হিতি তৈরীর উস্কানী, তার উপর ইচ্ছাকৃত ভাবে আকাশঁ সীমা লংঘন করে বিভিন্ন ভাবে যুদ্বের আহবান জানাতেও কার্পণ্য করেনি। লোমহর্ষক ভিডিও প্রচারের চেয়েও জঘন্যতম কারন ছিলো আরাকান বাসী ভিডিও টি দেখে নিজের ও স্বজনদের জীবনের মায়ায় যেন তাড়াতাড়ি দেশান্তরি হন। প্রথমটা আশানুরুপ না হলেও শেষ গুলোতে সফলতার মূখ দেখেছে। আরাকান ও তার আশ পাশের ভিটে বাড়ীতে আজ হাহাকারঁ, মানুষ,ও প্রাণী শূন্য। পচাঁ লাশের গন্ধ। মায়ানমার সরকারের যতটা না খনিজ লোভে এহেন জঘন্য তার পরিচয় দিয়েছে, তার চেয়েও বেশী পা দিয়েছে বিশ্বমোড়ল দের কূটচালে। নিকট অতীতে ২০০০ সালের দিকে বার্মা সরকারের বেয়াদবি যে শিক্ষা বাংলাদেশ থেকে পেয়েছে তার একটা পাল্টা জবাব দেওয়ার ফন্দি ও কাজ করেছে। মায়ানমার জালে ঝানু রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে আটকাঁনো সম্বভ হয়নি। তার উপর বিশ্ব দরবারে রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাংলাদেশ সরকার এমন কাজে লাগিয়েছে যা কল্পনাতেও ছিলো না। অবস্থা আজ "ভাই আমি না ও এমন করতে বাধ্য করেছে" অযুহাত খুজারঁ পর্যায়ে হলেও শেষ চেষ্টা বাংলাদেশের অর্থনীতিক অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্ত করার সর্বশেষ ইচ্ছায় কমপক্ষে সিমিত আকারে হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা। এই উদেশ্য দেশের অভ্যন্তরিণ চরদের কাজে লাগানোর জন্য সর্বশেষ চেষ্টারত অবস্থায় হাতে মুলা পাওয়ার মত অবস্থা তৈরী হয় ফেনীতে। ফেনী ইন্সটিটিউট অব কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজির শিক্ষক পেয়ার আহম্মদ মজুমদারের মৃত্যু ঘটে। আর এ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্পীতি নষ্টের জন্য ওৎপেতে থাকা শ্রেনী এ সুযোগ কে উস্কানী দিতে বৌদ্ধ কর্তক মুসলিম শিক্ষক হত্যার উদেশ্য মূলক বিভ্রান্তি ছড়াতে উঠে পড়ে লাগে। ফেসবুকের বিভিন্ন ফ্যাক আইডি থেকে উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দিয়ে এ ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উস্কানী দেয়া আরাম্ভ করা ছাড়াও এক শ্রেনীর লোকজন মানববন্ধন, কখনো বিক্ষোভ মিছিল আবার কখনো গন জমায়েতের নামে ফেনীতে অরাজকতা তৈরীর নীল নকশাঁর বাস্তবায়ন এর কাছাকাছি চলে আসে। তখনই বিষয়টি নজরে আসে ফেনীর পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকারের। এদের প্রতিহত করতে তিনিও তার সদস্যরা শুরু করেন ভিন্ন খেলা। বর্নিত ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, লোকদেখানো কর্মসূচির আড়ালে এ শ্রেনীর উদেশ্য ছিলো হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে তাদের টার্গেট কৃত অমুসলিম দের উপর হামলা করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজী করা। ফেনীতে এই জাতিগত দাঙ্গার জন্য চট্রগ্রাম সহ পাশাপাশি জেলা হতেও তাদের লোকজনকে এখানে নিয়ে আসার প্রস্তুতি ছিলো। তাই পুলিশ ও মোবাইল টেকিং, আইড়ি বন্ধ ও দুস্কৃতি কারীদের ধরার জন্য দিনরাত মোবাইল টহল, সন্দেহজনক স্থানে চৌকি অবস্থান ও এদের স্থানীয় নেতৃত্ব আটক, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা তৈরী সহ মারদাঙ্গা ভূমিকা গ্রহন করে। সমগ্র জেলাকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি ভাগে এক একজন কর্মকর্তার অধীনে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়ীত্ব ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তার প্রাচীর তৈরী করে নেয়। ফলে ছাগলনাইয়ার সীমান্তে মাটিয়া গোদা বা সোনাগাজীসহ কয়েকটি স্থানে জড় হওয়ারা যেমনি পালাতে হয়েছে, তেমনি ভাবে তাদের স্থানীয় আশ্রয় দাতাদের অনেকেসহ গেম মেকারদের অনেকেই গ্রেফতার হন আবার অনেকে গ্রেফতার এড়াতে ফেনী ছাড়তে বাধ্য হন। আর এই নিরাপত্তা বেষ্টনী ও নির্ঘুম অবস্থান চলে শনিবার ভোরহতে শুক্রবার বাদ জুমা পর্যন্ত। এ সময়ে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার সহ এডিশন্যাল এসপি, সার্কেল এসপি সহ বিভিন্ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চদ্মবেশে মোটরবাইকে ফেনীর চিহ্নিত স্থান গুলোতে নজরদারি সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতি ছিলো কঠোরদৃষ্টিপাত, তেমনী ভাবে মসজিদ সহ সকল ধর্মাবলম্বী দের ধর্মীয় স্হানের প্রতিও রাখেন যতœশীল দৃষ্টি। এ ব্যপারে জানতে চাওয়া হলে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান, দুস্কৃতিকারীদের দ্বারায় পরিচালিত ফ্যাক আইড়ি হতে এহেন বিভ্রান্তি ও উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার, বা সাবোটাজ তৈরীর উদ্দ্যেশে বর্তমানে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ব করা। দেশের অভ্যন্তুরে বিদ্যমান জাতীয সম্প্রীতি নষ্ট, জাতীর কাংখিত পদ্মাসেতুর অর্জনকে কে ধূলিস্যাৎ সহ জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার হীন প্রচেষ্টা সহ বাংলাদেশের অর্থনীতির সাকোঁটা ভেঙ্গে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন। যদি তারা ফেনীতে শুধু রাস্তায় দাড়াতেও পারতো এখানে সম্পূর্ণ ভাবে তাদের নীলনকশাঁ বাস্তবায়না করা সম্ভব না হলেও দেশের বিভিন্ন স্হানের তাদের দোসরদের উৎসাহ দিয়ে দেশের যে কোন স্থানে লাশ ফেলার। যার ফলশ্রুতিতে জাতিগত দাঙ্গার পরিবেশ তৈরী করে দেশ ও সরকারকে বিপদে ফেলা। তিনি আরো বলেন, আমরা বিষয়টির প্রতি এখনো অধিকতর গুরুত্বদিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার আরো বলেন, এহেন সংকটময় সময়ে দেশের সকল নাগরিককে ধৈর্য, সাহসীকতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। ফেনীতে যুদ্বদেহী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রন ও দুস্কৃতিকারীদের চক্রান্ত ধুলিসাৎ করে দেওয়ার কৃর্তিত্বকে একা নিজের অস্বীকার করে তিনি বলেন, ফেনীর সচেতন নাগরিক, যুবসম্প্রদায়, সাংবাদিক, ফেনীর রাজনিতিক বর্গ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশের সকল সদস্যের সফলতা বলে উল্লেখ করে বলেন, শহর কিংবা গ্রামে সন্দেহজনক উপস্থিতি ও পরিস্থিতি সাথে সাথে পুলিশ কে জানানোর জন্য ও সবার প্রতি তিনি আহবান জানান। সূত্র: ফেনীর সমসায়ীক । পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকারের দূরদৃষ্টিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশ এম.রফিকুল ইসলাম (চট্টগ্রাম) : বাংলাদেশের মানুষের জীবনে চাওয়া, পাওয়ার হিসাব যেমনি সামান্য তেমনী আবেগ নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারটিও। তারঁ চেয়েও বড় সমস্যা এ দেশের মানুষ যখন কিছু পাওয়ার অনুকূল পরিবেশে পদায়ন করে তখন কোন না কোন বিপত্তির উদ্ভব ঘটে। আমাদের স্বাধীনতার পরে বৃহত্তম পাওনা পদ্মা সেতুর দৃশ্যমানতায় বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ যখন শ্রদ্ধাও সভ্যতার আসনে নিজের অবস্থানের সমীহ আদায় করে নিচ্ছেন, তখনই রোহিঙ্গা সমস্যা রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদেরকে অনেকটা বিপদজনক অবস্থানে পৌঁছে দিচ্ছিল। শরনার্থী জীবনের অভিজ্ঞতা আমাদের ও সুদুর অতীতের নয়, তাই মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশে সরকার বাধাঁ প্রদান না করে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক যতœশীল ভূমিকায় অবতীর্ন হয়। সুক্ষ কারসাজী ও সুদুর ষডযন্ত্রের অংশ হিসেবে মায়ানমার যত ধরনের অত্যাচার, হত্যা, ধর্ষণ জ্বালাও পোড়াও আছে ক্ষেত্র বিশেষ অকল্পনীয় পন্থা ও অবলম্বনের পাশাপাশি ভিডিও ধারন করে তা নেটে প্রচার করে চলেছে। যার মূল উদ্দেশ্য প্রধানত সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দেশ বাংলাদেশ কে তথা বাংলার মানুষকে অসহিষনু করে যুদ্ব পরিস্হিতি তৈরীর উস্কানী, তার উপর ইচ্ছাকৃত ভাবে আকাশঁ সীমা লংঘন করে বিভিন্ন ভাবে যুদ্বের আহবান জানাতেও কার্পণ্য করেনি। লোমহর্ষক ভিডিও প্রচারের চেয়েও জঘন্যতম কারন ছিলো আরাকান বাসী ভিডিও টি দেখে নিজের ও স্বজনদের জীবনের মায়ায় যেন তাড়াতাড়ি দেশান্তরি হন। প্রথমটা আশানুরুপ না হলেও শেষ গুলোতে সফলতার মূখ দেখেছে। আরাকান ও তার আশ পাশের ভিটে বাড়ীতে আজ হাহাকারঁ, মানুষ,ও প্রাণী শূন্য। পচাঁ লাশের গন্ধ। মায়ানমার সরকারের যতটা না খনিজ লোভে এহেন জঘন্য তার পরিচয় দিয়েছে, তার চেয়েও বেশী পা দিয়েছে বিশ্বমোড়ল দের কূটচালে। নিকট অতীতে ২০০০ সালের দিকে বার্মা সরকারের বেয়াদবি যে শিক্ষা বাংলাদেশ থেকে পেয়েছে তার একটা পাল্টা জবাব দেওয়ার ফন্দি ও কাজ করেছে। মায়ানমার জালে ঝানু রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে আটকাঁনো সম্বভ হয়নি। তার উপর বিশ্ব দরবারে রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাংলাদেশ সরকার এমন কাজে লাগিয়েছে যা কল্পনাতেও ছিলো না। অবস্থা আজ "ভাই আমি না ও এমন করতে বাধ্য করেছে" অযুহাত খুজারঁ পর্যায়ে হলেও শেষ চেষ্টা বাংলাদেশের অর্থনীতিক অগ্রযাত্রা কে বাধাগ্রস্ত করার সর্বশেষ ইচ্ছায় কমপক্ষে সিমিত আকারে হলেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা। এই উদেশ্য দেশের অভ্যন্তরিণ চরদের কাজে লাগানোর জন্য সর্বশেষ চেষ্টারত অবস্থায় হাতে মুলা পাওয়ার মত অবস্থা তৈরী হয় ফেনীতে। ফেনী ইন্সটিটিউট অব কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজির শিক্ষক পেয়ার আহম্মদ মজুমদারের মৃত্যু ঘটে। আর এ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্পীতি নষ্টের জন্য ওৎপেতে থাকা শ্রেনী এ সুযোগ কে উস্কানী দিতে বৌদ্ধ কর্তক মুসলিম শিক্ষক হত্যার উদেশ্য মূলক বিভ্রান্তি ছড়াতে উঠে পড়ে লাগে। ফেসবুকের বিভিন্ন ফ্যাক আইডি থেকে উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দিয়ে এ ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উস্কানী দেয়া আরাম্ভ করা ছাড়াও এক শ্রেনীর লোকজন মানববন্ধন, কখনো বিক্ষোভ মিছিল আবার কখনো গন জমায়েতের নামে ফেনীতে অরাজকতা তৈরীর নীল নকশাঁর বাস্তবায়ন এর কাছাকাছি চলে আসে। তখনই বিষয়টি নজরে আসে ফেনীর পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকারের। এদের প্রতিহত করতে তিনিও তার সদস্যরা শুরু করেন ভিন্ন খেলা। বর্নিত ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, লোকদেখানো কর্মসূচির আড়ালে এ শ্রেনীর উদেশ্য ছিলো হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে তাদের টার্গেট কৃত অমুসলিম দের উপর হামলা করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজী করা। ফেনীতে এই জাতিগত দাঙ্গার জন্য চট্রগ্রাম সহ পাশাপাশি জেলা হতেও তাদের লোকজনকে এখানে নিয়ে আসার প্রস্তুতি ছিলো। তাই পুলিশ ও মোবাইল টেকিং, আইড়ি বন্ধ ও দুস্কৃতি কারীদের ধরার জন্য দিনরাত মোবাইল টহল, সন্দেহজনক স্থানে চৌকি অবস্থান ও এদের স্থানীয় নেতৃত্ব আটক, সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা তৈরী সহ মারদাঙ্গা ভূমিকা গ্রহন করে। সমগ্র জেলাকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি ভাগে এক একজন কর্মকর্তার অধীনে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়ীত্ব ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তার প্রাচীর তৈরী করে নেয়। ফলে ছাগলনাইয়ার সীমান্তে মাটিয়া গোদা বা সোনাগাজীসহ কয়েকটি স্থানে জড় হওয়ারা যেমনি পালাতে হয়েছে, তেমনি ভাবে তাদের স্থানীয় আশ্রয় দাতাদের অনেকেসহ গেম মেকারদের অনেকেই গ্রেফতার হন আবার অনেকে গ্রেফতার এড়াতে ফেনী ছাড়তে বাধ্য হন। আর এই নিরাপত্তা বেষ্টনী ও নির্ঘুম অবস্থান চলে শনিবার ভোরহতে শুক্রবার বাদ জুমা পর্যন্ত। এ সময়ে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার সহ এডিশন্যাল এসপি, সার্কেল এসপি সহ বিভিন্ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চদ্মবেশে মোটরবাইকে ফেনীর চিহ্নিত স্থান গুলোতে নজরদারি সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতি ছিলো কঠোরদৃষ্টিপাত, তেমনী ভাবে মসজিদ সহ সকল ধর্মাবলম্বী দের ধর্মীয় স্হানের প্রতিও রাখেন যতœশীল দৃষ্টি। এ ব্যপারে জানতে চাওয়া হলে পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান, দুস্কৃতিকারীদের দ্বারায় পরিচালিত ফ্যাক আইড়ি হতে এহেন বিভ্রান্তি ও উস্কানী মূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার, বা সাবোটাজ তৈরীর উদ্দ্যেশে বর্তমানে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ব করা। দেশের অভ্যন্তুরে বিদ্যমান জাতীয সম্প্রীতি নষ্ট, জাতীর কাংখিত পদ্মাসেতুর অর্জনকে কে ধূলিস্যাৎ সহ জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার হীন প্রচেষ্টা সহ বাংলাদেশের অর্থনীতির সাকোঁটা ভেঙ্গে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের বিদেশী প্রভূদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন। যদি তারা ফেনীতে শুধু রাস্তায় দাড়াতেও পারতো এখানে সম্পূর্ণ ভাবে তাদের নীলনকশাঁ বাস্তবায়না করা সম্ভব না হলেও দেশের বিভিন্ন স্হানের তাদের দোসরদের উৎসাহ দিয়ে দেশের যে কোন স্থানে লাশ ফেলার। যার ফলশ্রুতিতে জাতিগত দাঙ্গার পরিবেশ তৈরী করে দেশ ও সরকারকে বিপদে ফেলা। তিনি আরো বলেন, আমরা বিষয়টির প্রতি এখনো অধিকতর গুরুত্বদিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার আরো বলেন, এহেন সংকটময় সময়ে দেশের সকল নাগরিককে ধৈর্য, সাহসীকতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। ফেনীতে যুদ্বদেহী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রন ও দুস্কৃতিকারীদের চক্রান্ত ধুলিসাৎ করে দেওয়ার কৃর্তিত্বকে একা নিজের অস্বীকার করে তিনি বলেন, ফেনীর সচেতন নাগরিক, যুবসম্প্রদায়, সাংবাদিক, ফেনীর রাজনিতিক বর্গ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশের সকল সদস্যের সফলতা বলে উল্লেখ করে বলেন, শহর কিংবা গ্রামে সন্দেহজনক উপস্থিতি ও পরিস্থিতি সাথে সাথে পুলিশ কে জানানোর জন্য ও সবার প্রতি তিনি আহবান জানান। সূত্র: ফেনীর সমসায়ীক ।


1