LatestsNews
# মৗলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে আতংকে জেলাবাসী# ভারতে পাচার ৫ বাংলাদেশীকে বেনাপোলে ফেরত # রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু সমাধানে সারা বিশ্বের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।# উল্লাপাড়ায় পরিশ্রম আর পরিচর্যায় সফল পটলচাষী ফকির জয়নাল# মাগুরা শ্রীপুরে সাংবাদিকে বৃদ্ধ বাবা সহ ৫ আওয়ামীলীগ নেতা কর্মির নামে মিথ্যা মামলা# বিএনপি-জামায়ত জোটের শাসন আর কোন দিন ফিরে আসবে না# মৌলভীবাজারে দীঘলগিজি স্কুলে একটি রাস্তার কারনে ঝড়ে পড়ছে শতাধিক কোমলমতি শিশু# ২০১৯-২০ সালের অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পরদিনই বেড়ে গেছে সোনার দাম।# ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি বাংলাদেশের# বিশ্বকাপের ১৯তম ম্যাচে উইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারালো ইংল্যান্ড।# অনির্বাচিত সরকারের বাজেট প্রণয়নের নৈতিক অধিকার নেই :মির্জা ফখরুল# চট্টগ্রামে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ পুলিশের এসআই আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব# সাভারে ভয়ংকর লুঙ্গিবাহিনীর ১৭ ডাকাত গ্রেফতার, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধর# ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নবিত্ত ও বিকাশমান মধ্যবিত্তের জন্য তেমন কোনো সুখবর নেই# রেমিটেন্সে প্রণোদনা প্রবাসীদের উৎসাহিত করবে# রাজধানীতে আজকালের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।# ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।# উপজেলা নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় বললেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম# গোবিন্দগঞ্জে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-১০# উল্লাপাড়ায় ৮২ কোটি টাকার প্রকল্প রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ কাজে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা
আজ রবিবার| ১৬ জুন ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

শুভ দীপাবলি ও শ্যামাপূজা আজ



মোঃমোছাদ্দেক বিল্লাহ (নিজস্ব প্রতিবেদক): আজ শুভ দীপাবলি বা আলোর উৎসব। অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক শুভ দেওয়ালি বা দীপাবলি। বিশ্বের হিন্দু, শিখ ও জৈনধর্মাবলম্বীরা আজ সন্ধ্যায় সহস্র প্রদীপ জ্বালিয়ে শুভ দীপাবলি উৎসব উদযাপন করবে। এ ছাড়া হিন্দুধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা বা কালীপূজাও অনুষ্ঠিত হবে আজ। মূলত দীপাবলি উৎসবের মাধ্যমে সুখ, শান্তি, জ্ঞান ও সম্পদ দেওয়ার জন্য এই সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। প্রাচীন প্রথা অনুসারে দীপাবলির সন্ধ্যায় তেল দিয়ে সহস্র মাটির প্রদীপ জ্বালানো হয়। এখনো অনেক স্থানে এই প্রথা চালু আছে। তবে বর্তমানে শহরাঞ্চলে অনেকে তেলের প্রদীপের পরিবর্তে মোমবাতি ব্যবহার করেন। হেমন্ত প্রকৃতি নতুন সাজে সজ্জিত। শিউলিঝরা প্রভাতে চড়া রোদে সামান্য ঘাম, রাতে একটু শীতের আমেজ, নবান্নের আগমন, নতুন ধানের ম-ম গন্ধ। অন্যদিকে বাঙালি হিন্দুদের উৎসবের মৌসুম। পরপর দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা। মা কালীকে নিয়ে এ দেশে যে বিশেষ উৎসবটি ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে সেটি দেওয়ালি বা দীপাবলি উৎসব। বাংলার গ্রামগঞ্জে শহরে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে এই উৎসব পালিত হয় বলে এ উৎসবের মাঝে আলাদা মাদকতা ছড়িয়ে থাকে। হিন্দুমতে, দীপান্বিতা অমাবস্যার প্রধান আরাধ্য দেবী হলেন দক্ষিণা কালী। কালী করলাবন্দনা, মুক্তকেশী, মহামেঘের মতো তার বর্ণ। মুখে বিকশিত দন্তপঙ্ক্তি। দুই অধরপ্রাপ্ত বেয়ে পড়ছে রক্তধারা। গলায় মুক্তমালা, কর্ণে শিশুশবের কর্ণ ভূষণ। মা কালীর চার হাত। বাঁদিকে উপরের হাতে রক্তমাখা খোপানসী খড়গ, নিচের হাতের সদচ্ছন্দ মুন্ড। ডানদিকের হাতে দুটিতে অভয় ও বর। মহাদেবের বুকে পা রেখে দেবী যেন নৃত্য করছেন। আপাতদৃষ্টিতে মা কালী ভীষণ ভয়ংকরী। ভক্তের দৃষ্টিতে তিনি সর্বময় সর্বঙ্গলা সুন্দরী। তিনি মাধুর্যময়ী, মহাবিদ্যা, মহাশক্তি। মা কালী তার জীবনের প্রেরণা, কর্মে শক্তি বিপদের আশ্রয়। মা শক্তির আরাধনার পরিসমাপ্তিতে দীপাবলির দীপশিখায় চারদিক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল আলোয়। শ্যামাপূজা বা কালীপূজার পরেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়া। সব দিক দিয়ে বিচার করলে এই উৎসবটিকে বাঙালি হিন্দুর শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান বলা যেতে পারে। শুভদিনের পরম পবিত্র লগ্নে ভাই-বোনের মধুর সম্পর্কের পুনঃ নবীকরণ করে নেওয়া হয় প্রতিবছর। শৈশবের হারিয়ে হাওয়া মধুর স্মৃতিগুলো যেন এই দিনটিতে বড় বেশি করে মনে পড়ে যায়। ভাই-বোনের স্নেহ ভালোবাসার সম্পর্কের প্রকাশ ভাইফোঁটার আচার অনুষ্ঠানটি মন কেড়ে নেয়। একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চিরন্তন আবেগ অনুভূতিই জীবন্ত হয়ে ওঠে। কার্তিক মাসের শুক্লা পক্ষে দ্বিতীয় তিথিতে বোন তার ভাইকে পরম যত্নসহকারে একটি সুন্দর আসনে বসান। শিশির ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে হাতের তিন আঙুলের সাহায্যে বোন তার ভাইয়ের কপালে ধুয়ে দেয়। এই কনিষ্ঠা আঙ্গুল দিয়ে একইভাবে চন্দন তিলক এঁকে দিয়ে মন্ত্র উচ্চারণ করে- ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা যমের দুয়ারে পড়লো কাটা যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা আমি দিই ভাইফোঁটা। হেমন্তের পবিত্র শিশির দিয়ে বোন তার ভাইয়ের সব অশুভ অমঙ্গল ও অকল্যাণকর শক্তিকে ধুয়ে দেয়। সুগন্ধি চন্দন তিলক ললাটে এঁকে দিয়ে এনে দেয় সৌভাগ্যের পরশমণি। তারই সঙ্গে অমরত্বের প্রতীক দুর্বা আর ধনের প্রতীক ধান দিয়ে প্রার্থনা বা আশীর্বাদ করে ভাইয়ের সব কল্যাণের জন্য। অন্যদিকে ভাই বোনকে আশীর্বাদ বা তার মঙ্গল কামনা করে। ভাই-বোনের এই আকুতিতেই তো ভাইফোঁটা বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়া। হিন্দু ধর্মীয় বিভিন্ন গ্রন্থে ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়। ভবিষ্যৎ পুরাণে বলা হয়েছে, যমী (যমুনা) তার ভাই যমকে কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে নিজ গৃহে এনে পূজা করে ভোজনে আপ্যায়িত করেছিলেন। জনশ্রুতি আছে সেই থেকেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার উৎসব পালন হয়ে আসছে। অন্যদিকে ১৩৩৬ খ্রিষ্টাব্দে আচার্য্য সবানন্দ সুরীর পুঁথির শেষ শ্লোকে বলা হয় মহাবীরের জীবনবাসন হলে রাজা নন্দী বর্ধন বোনের শোক নিবারণের জন্য বোনকে বুঝিয়ে আদর যত্ন করে আপ্যায়ন করেছিলেন। দীপাবলির উৎসবের মধ্যে মা কালীর আরাধনায় মৃত্যুর অধিপতি যমের বিতাড়ন ও অশুভ শক্তিকে প্রতিরোধ অন্যদিকে ভ্রাতৃদ্বিতীয়া যমের দুয়ারে কাঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করা হয়।


1