LatestsNews
# ব্যাচেলর খ্যাত সালমান খান অবশেষে বিয়ের জন্য নায়িকা পাত্রী খুঁজে পেয়েছেন# সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহত # নকশা জালিয়াতির অভিযোগে কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসভীর-উল-ইসলামকে গ্রেফতার।# ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে নার্স ও স্টাফদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা# রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে মিয়ানমারকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।# হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টির বিভক্তি আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে।# ডেঙ্গু মোকাবিলায় সতর্কতা ও সচেতনতা আরো বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা# ঈদের আগে পরে মোট ১৩ দিনে এবার সড়ক, নৌ ও রেল পথে ২৪৪টি দুর্ঘটনায় মোট ২৫৩ জন নিহত ও ৯০৮ জন আহত।# গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালের বেহাল অবস্থা # ভারতে নিহত মাইনুল ও তানিয়া মরদেহ দেশে আনা হয়েছে# যেভাবে চামড়ার দাম কমানো হয়েছে তা দূরভিসন্ধিমূলক:মসিউর রহমান রাঙ্গা।# বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দেশের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ।# চলনবিলে পর্যটকের ঢল# চলনবিলে পর্যটকের ঢল# সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন# সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন# পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বাংলাদেশের দুজন নাগরিক। # জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘ফ্রেন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বা ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দেয়া হলো# ডেঙ্গু প্রতিরোধ-সচেতনতায় 'স্টপ ডেঙ্গু' অ্যাপ চালু # অবশেষে টাইগারদের নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার রাসেল ডোমিঙ্গাকে।
আজ রবিবার| ১৮ আগস্ট ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

আজ ১৪ ডিসেম্বর জয়পুরহাট হানাদার মুক্ত দিবস



জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ নিরেন দাস।
 
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আজকের এইদিনে পাক বাহিনীরা জয়পুরহাটের বীর দামাল সন্তানদের কাছে পরাজয় বরণ করলে জয় বাংলা স্লোগানে স্লোগানে স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে জয়পুরহাটকে পাক হানাদার মুক্ত ঘোষণা করা হয়।
 
ইতিহাস সূত্রে পাওয়া ১৯৭১ সালে ১৪ ডিসেম্বর জয়পুরহাটের শত শত বীর মুক্তিযোদ্ধা ভোরের আকাশ রাঙ্গিয়ে ওঠার আগেই সেসময় কনকনে শীতের কুয়াশা ছিন্ন ভিন্ন করে ঝঁড়ের গতিতে  গুলি বর্ষণ করতে করতে জয় বাংলা স্লোগানের উল্লাসের মধ্যে দিয়ে পাক বাহিনীদের ক্যাম্প জয়পুরহাটের ডাক বাংলো তে প্রবেশ করে মুক্তিবাহিনীরা। সেই আতংকিত হামলায় পাক হানাদার পাকিস্তানি সৈন্য বাহিনী ও তার দোসররা তখন পিছন দরজা দিয়ে জয়পুরহাট থেকে পালিয়ে বগুড়া ও ঘোড়াঘাটের দিকে ছুটে যায় জীবন বাঁচাতে পাক বাহিনীরা সাথে জয়পুরহাট হয় পাক হানাদার মুক্ত।
 
সকালের সূর্য উদয়ের আগেই জয়পুরহাটের ডাক বাংলো প্রাঙ্গন পাক বাহিনীদের ক্যাম্প দখলিত করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরা ’জয়বাংলা’ স্লোগানে স্লোগানে জয়পুরহাটের মাটি কেঁপে ওঠে। সমবেত কন্ঠে আনন্দ উল্লাসে খুশির কান্নাভরা কন্ঠে সবাই একসাথে গায়তে শুরু করে ’আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ যে জাতীয় সঙ্গীতে মধ্য দিয়ে প্রথম স্বাধীনতার বিজয় কেতন সোনালী বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করেন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খন্দকার আসাদুজ্জামান বাবলু উরফে বাঘা বাবলু।
 
তিনি পতাকা উত্তোলনের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রেখে বলেন" এই স্বাধীনতার জন্য মূল্য দিতে হয়েছে অনেক মা-বাবা, ভাই-বোনকে। স্বজনদের হারিয়ে অনেকেই এখনও শোকে পাথর হয়ে আছেন তবুও আমরা হাল ছাড়ি নি বুকে পাথর বেঁধে পাক বাহিনীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে এনে আমরা ধন্য।
 
সারা দেশের মতো ১৯৭১ সালে জয়পুরহাটে ৯ মাস ব্যাপী হানাদার বাহিনী নির্মম হত্যা যজ্ঞ চালায়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধরে নিয়ে এসে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে ব্যানট দিয়ে খুঁচিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় জয়পুরহাটের পাগলা দেওয়ানে। উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বদ্ধভূমি এ পাগলা দেওয়ান। এখানে পাক হানাদার বাহিনীর একটি পরিত্যক্ত বাংকার এখনও হত্যা যজ্ঞের ভয়াল স্মৃতি বহন করছে।
এ নারকীয় হত্যাযজ্ঞ থেকে প্রাণে বেঁচে আসা অনেকেই এখনও সেই করুণ স্মৃতি বহন করছেন। এছাড়াও কড়ই কাদিপুর গ্রামে ৩শ ৭১ জন মৃৎ শিল্পীকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী ও এ দেশীয় দোশর রাজাকার আল বদর বাহিনীর সদস্যরা। এখানে একটি বদ্ধভূমি রয়েছে।
 
বিজয়ের এ দিনকে স্মরণ রাখার জন্য জয়পুরহাটে শহীদ ডা. আবুল কাসেম ময়দানে ৭১ ফুট উচ্চ শহীদ স্মৃতি বিজয় স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর পাক হানাদারদের নিকট থেকে মুক্তির এ দিনটি জয়পুরহাটবাসী স্মরণ করে পাগলা দেওয়ান স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ ও বিজয় পতাকা শোভাযাত্রা বের করার মাধ্যমে। জেলা প্রশাসন বিজয় দিবস উদযাপনে চার দিন ব্যাপী কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।


1