LatestsNews
# ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতার না করায় উদ্বেগ জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।# প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নবম ওয়েজবোর্ডের চূড়ান্ত বাস্তবায়ন ঘোষণা করা হবে।# ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মানহীন ২২টি পণ্য বাজার থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।# চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করিয়েছে ভারত ৫ উইকেটে তারা করে ৩৩৬ রান।# রাজধানীর ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ# নড়াইলে শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ছাত্রদের অবস্থান কর্মসূচিতে বাধা, পিস্তল উচিয়ে ভীতি প্রদর্শন# পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে পাচার করা ৬ কিশোরীকে বাংলাদেশে ফেরত# কুড়িগ্রামের উলিপুরে নারী উদ্যোক্তার কারণে ৭শ’ নারী পেল কর্মসংস্থানের সুযোগ# চট্টগ্রাম বন্দরে সংঘর্ষে জোড়া লেগে যাওয়া জাহাজ দু'টির অংশ বিশেষ কেটে আলাদা করা হয়েছে।# কারাগারের আড়াইশো বছরের সকালের নাস্তার মেন্যু পরিবর্তন হলো # লোকাল ট্রে‌নের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হ‌য়ে ময়মন‌সিংহ-ভৈরব রু‌টের সব ট্রেন চলাচল বন্ধ# সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার# মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, পেশাগত দক্ষতা ও আনুগত্য বিবেচনা করে পদোন্নতি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।# মৗলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে আতংকে জেলাবাসী# ভারতে পাচার ৫ বাংলাদেশীকে বেনাপোলে ফেরত # রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু সমাধানে সারা বিশ্বের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।# উল্লাপাড়ায় পরিশ্রম আর পরিচর্যায় সফল পটলচাষী ফকির জয়নাল# মাগুরা শ্রীপুরে সাংবাদিকে বৃদ্ধ বাবা সহ ৫ আওয়ামীলীগ নেতা কর্মির নামে মিথ্যা মামলা# বিএনপি-জামায়ত জোটের শাসন আর কোন দিন ফিরে আসবে না# মৌলভীবাজারে দীঘলগিজি স্কুলে একটি রাস্তার কারনে ঝড়ে পড়ছে শতাধিক কোমলমতি শিশু
আজ রবিবার| ১৬ জুন ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

আজ ১৪ ডিসেম্বর জয়পুরহাট হানাদার মুক্ত দিবস



জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ নিরেন দাস।
 
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আজকের এইদিনে পাক বাহিনীরা জয়পুরহাটের বীর দামাল সন্তানদের কাছে পরাজয় বরণ করলে জয় বাংলা স্লোগানে স্লোগানে স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে জয়পুরহাটকে পাক হানাদার মুক্ত ঘোষণা করা হয়।
 
ইতিহাস সূত্রে পাওয়া ১৯৭১ সালে ১৪ ডিসেম্বর জয়পুরহাটের শত শত বীর মুক্তিযোদ্ধা ভোরের আকাশ রাঙ্গিয়ে ওঠার আগেই সেসময় কনকনে শীতের কুয়াশা ছিন্ন ভিন্ন করে ঝঁড়ের গতিতে  গুলি বর্ষণ করতে করতে জয় বাংলা স্লোগানের উল্লাসের মধ্যে দিয়ে পাক বাহিনীদের ক্যাম্প জয়পুরহাটের ডাক বাংলো তে প্রবেশ করে মুক্তিবাহিনীরা। সেই আতংকিত হামলায় পাক হানাদার পাকিস্তানি সৈন্য বাহিনী ও তার দোসররা তখন পিছন দরজা দিয়ে জয়পুরহাট থেকে পালিয়ে বগুড়া ও ঘোড়াঘাটের দিকে ছুটে যায় জীবন বাঁচাতে পাক বাহিনীরা সাথে জয়পুরহাট হয় পাক হানাদার মুক্ত।
 
সকালের সূর্য উদয়ের আগেই জয়পুরহাটের ডাক বাংলো প্রাঙ্গন পাক বাহিনীদের ক্যাম্প দখলিত করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরা ’জয়বাংলা’ স্লোগানে স্লোগানে জয়পুরহাটের মাটি কেঁপে ওঠে। সমবেত কন্ঠে আনন্দ উল্লাসে খুশির কান্নাভরা কন্ঠে সবাই একসাথে গায়তে শুরু করে ’আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ যে জাতীয় সঙ্গীতে মধ্য দিয়ে প্রথম স্বাধীনতার বিজয় কেতন সোনালী বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করেন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খন্দকার আসাদুজ্জামান বাবলু উরফে বাঘা বাবলু।
 
তিনি পতাকা উত্তোলনের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রেখে বলেন" এই স্বাধীনতার জন্য মূল্য দিতে হয়েছে অনেক মা-বাবা, ভাই-বোনকে। স্বজনদের হারিয়ে অনেকেই এখনও শোকে পাথর হয়ে আছেন তবুও আমরা হাল ছাড়ি নি বুকে পাথর বেঁধে পাক বাহিনীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে এনে আমরা ধন্য।
 
সারা দেশের মতো ১৯৭১ সালে জয়পুরহাটে ৯ মাস ব্যাপী হানাদার বাহিনী নির্মম হত্যা যজ্ঞ চালায়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধরে নিয়ে এসে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে ব্যানট দিয়ে খুঁচিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় জয়পুরহাটের পাগলা দেওয়ানে। উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বদ্ধভূমি এ পাগলা দেওয়ান। এখানে পাক হানাদার বাহিনীর একটি পরিত্যক্ত বাংকার এখনও হত্যা যজ্ঞের ভয়াল স্মৃতি বহন করছে।
এ নারকীয় হত্যাযজ্ঞ থেকে প্রাণে বেঁচে আসা অনেকেই এখনও সেই করুণ স্মৃতি বহন করছেন। এছাড়াও কড়ই কাদিপুর গ্রামে ৩শ ৭১ জন মৃৎ শিল্পীকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী ও এ দেশীয় দোশর রাজাকার আল বদর বাহিনীর সদস্যরা। এখানে একটি বদ্ধভূমি রয়েছে।
 
বিজয়ের এ দিনকে স্মরণ রাখার জন্য জয়পুরহাটে শহীদ ডা. আবুল কাসেম ময়দানে ৭১ ফুট উচ্চ শহীদ স্মৃতি বিজয় স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর পাক হানাদারদের নিকট থেকে মুক্তির এ দিনটি জয়পুরহাটবাসী স্মরণ করে পাগলা দেওয়ান স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ ও বিজয় পতাকা শোভাযাত্রা বের করার মাধ্যমে। জেলা প্রশাসন বিজয় দিবস উদযাপনে চার দিন ব্যাপী কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।


1