LatestsNews
# গুলশান-১ এর ডিএনসিসি মার্কেটে মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য # এডিসের লার্ভা ধ্বংসে বাড়ি বাড়ি অভিযানে নগরবাসীর অসহযোগিতার অভিযোগ# চামড়া নিয়ে টানাপোড়েন থামছেই না - নিয়মিত ক্রেতাদের তৎপরতা দেখা যায়নি। # কাশ্মীর ইস্যুতে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বিবৃতি প্রকাশ# দাবি-দাওয়া মানলেই মিয়ানমারে ফিরবে রোহিঙ্গারা# ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিচারকের কক্ষে বিরিয়ানি খান রাজসাক্ষী জজ মিয়া# গাইবান্ধার ঝিনুকের তৈরী চুন উৎপাদনকারি যুগি পরিবারগুলো এখন বিপাকে# শিক্ষা নীতিমালা অনুমোদন করায় মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের অভিনন্দন# এডিস মশার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য বাংলাদেশ সফরে আসছেন উচ্চ পর্যায়ের বিদেশি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধিদল। # শেখ হাসিনাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। # মেঘনা নদীর ভাঙন গাফিলতি করা সেই প্রকৌশলীকে কী শাস্তি দেওয়া হয়েছে? : প্রধানমন্ত্রী# সংসদ সদস্য না হয়েও বিলাসবহুল গাড়িতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেন মুহিত# দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুর্নীতির বস্তাভর্তি টাকাসহ হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার# নায়াখালীতে সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ আহত ১২# পচা মাছ মজুদ ও বিক্রির দায়ে স্বপ্ন এক্সপ্রেস সুপার শপকে জরিমানা# ভারতীয় দলের ওপর হামলার শঙ্কা, পিসিবিকে মেইল# ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরের খাবার পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা# মিন্নির জামিন শুনানি, যা বললেন হাইকোর্ট# ভারতের বহুল আলোচিত ইসলামিক বক্তা ডা. জাকির নায়েক এবার মালয়েশিয়ায় নিষেধাজ্ঞার মুখে# নেত্রীকে মুক্ত করতে ব্যর্থ বিএনপি এখন বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে মন্তব্য : ওবায়দুল কাদের।
আজ বৃহস্পতিবার| ২২ আগস্ট ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
# ঝিনাইদহে সেনা সদস্য হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন# নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি :দেশের প্রথম শ্রেণীর অনলাইন টিভি চ্যানেল"চ্যানেল ফোর নিউজ" যা খুব দ্রুতই স্যাটেলাইট টেলিভিশনে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। উক্ত চ্যানেলের জন্য নিম্ন বর্ণীত বিভাগসমুহে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১ জন করে ব্যূরো প্রধান এবং বর্ণীত বিভাগগুলোর প্রতি জেলা ও থানাসমুহে ১ জন করে জেলা ও থানা প্রতিনিধি দ্রুত ও জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগসমুহ :চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, খুলনা , রাজশাহী , রংপুর - অাগ্রহীগণকে শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতিয়তা NID, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ১ কপি ছবি ও অভিজ্ঞতার প্রমানপত্রসহ পূর্ণ জীবন বৃত্

রাণীনগরে প্রচন্ড গরমে মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা বিপাকে



রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি 4TV 

নওগাঁর রাণীনগরে অব্যহত তাপদাহ ও গরম আবহাওয়ার কারণে কাঁচা-পাকা আম সহ অন্যান্য মৌসুমী ফল তারিতারি পেঁকে যাওয়ায় বিক্রয়ের আগেই দোকানে পঁচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সঠিক মূল্যে বিক্রয় করতে না পেরে পঁচা আম, আনারস ও লিচু নিয়ে রাণীনগরের ক্ষদ্র মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছে। একদিকে তারা যেমন আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্য দিকে মান-সম্পূর্ণ ফল ক্রেতাদের দিতে না পেরে ব্যবসাও সঠিক ভাবে করতে পাড়ছে না। প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় আম চাষিরাও বিপাকে পড়ছে। হিমাগারে আম রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে পাড়লে স্থানীয় আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হতো। আম আমাদের দেশে মৌসুমী রসালো ফল হিসেবে গুরুত্ব পেলেও শিল্প জাত পূর্ণ হিসেবে কার্যকর গবেষনা সরকার পর্যায় থেকে আজও নেওয়া হয়নি। ফলে পুরো আমের মৌসুমে অল্প সময়ের মধ্যেই রসালো আম বাজার থেকে তারাতারি বিদায় হয়ে যায়। যার কারণে চাষি পর্যায়ে এবং আম ব্যবসায়ী কেউ আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পাড়ছে না। ধান উৎপাদনের জেলা নওগাঁ হলেও বর্তমানে সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর ও মান্দা উপজেলায় চাষি পর্যায়ে আমের চাষ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই এলাকাগুলো থেকে স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সুস্বাদু মান-সম্পূর্ণ আম সরবারহ হচ্ছে।
রাণীনগর সদরের রেলওয়ে ষ্টেশন মোড়, উপজেলা বাসস্ট্যান্ড, রেল গেট, আবাদপুকুর বাজার, কুজাইল বাজার ও বেতগাড়ী বাজার সহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে স্থানীয় মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা মৌসুমের রসালো সুস্বাদু আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল সহ নানান জাতের ফল ব্যবসার জমজমাট বাজার গড়ে উঠেছে। আম পঁচনশীল হওয়ার কারণে দোকানে মজুদ করে ধরে রাখা সম্ভব হয় না। ফলে উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাব ও পরিবহন ব্যবস্থার কারণে প্রচুর আম নষ্ট হয়। যার ফলে ব্যবসায়ীদের কম দামে তা বিক্রি ছাড়া অন্য কোন পথ থাকে না। এই অবস্থায় আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই উপজেলায় আম সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে উভয়েই লাভবান হতো।
উপজেলার ষ্টেশন মোড়ের ফল ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে মৌসুমি ফল ব্যবসা করি। প্রতি বছর বিশেষ করে আমের মৌসুমে ভাল একটা ব্যবসা হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে লাগাতার গরমের কারণে কাঁচা-আধা পাকা ও পাকা আম দোকানে নিয়ে আসতে না আসতে বিক্রির সুযোগ না পেতেই আম গুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে লাভ তো দূরের কথা লসের ঘানি মাঝে মধ্যে টানতে হচ্ছে। বর্তমানে রাণীনগরে ভাল নাগ ফজলী আম ৩০ টাকা, ল্যাংরা ৩০ টাকা, নকনা ৩০, খিরসাপাত ৩৫ প্রতি কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে। তবে বেচা-বিক্রির পরিস্থিতি খুবই মন্দা, ক্রেতা নেই বললেই চলে। ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে চাহিদা মত আম বিক্রি করতে না পারাই দিনদিন আম আরো বেশি নষ্ট হচ্ছে। এখানে যদি একটি আম সংরক্ষনের ব্যবস্থা থাকতো তাহলে চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই লাভবান হতো। আমি বর্তমানে জেলার পোরশা ও সাপাহার থেকে আম নিয়ে আসি। এই আম গুলো রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের চেয়ে ভাল মানের। অব্যহত গরমের কারণে ব্যবসা ঠিক রাখতে এখন বিপাকে পড়েছি।


1